আগামী ২৯ জুন আসছে মুক্তি পাচ্ছে চ্যাম্পিয়ান
নতুন গান চ্যাম্পিয়ান নিয়ে ফিরছেন বাংলাদেশি–আমেরিকান ডিজে, গায়ক ও সংগীত পরিচালক সঞ্জয় দেব ও বলিউড তারকা নোরা। বিশ্বকাপে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘সির সির’ গানটির তালে মেতেছেন ফুটবল ও সংগীতপ্রেমীরা। সেই রেশ এখনো কাটেনি। এরিই মধ্যে আগামী ২৯ জুন প্রকাশ পাচ্ছে এই জুটির নতুন গান চ্যাম্পিয়ান।
সঞ্জয় দেব জানিয়েছেন, নতুন গান চ্যাম্পিয়ান শুধু একটি খেলার নয়। এটি বিজয়, আত্মবিশ্বাস এবং জীবনের প্রতিটি অর্জনকে উদযাপনের বার্তা বহন করবে। তাঁর ভাষায়, যেকোনো সংগ্রামের শেষে পাওয়া সাফল্যকে উদযাপন করতেই এই গান। শ্রোতারা চ্যাম্পিয়ান গানটি শুনে অনুপ্রেরণা ও ইতিবাচক শক্তি পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

নতুন গান চ্যাম্পিয়ান এ কণ্ঠ দেওয়ার পাশাপাশি গানটির কথা, সুর এবং সংগীত পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছেন সঞ্জয় দেব। তিনি জানান, প্রায় দুই মাস ধরে গানটির কাজ চলেছে। বিশ্বকাপের আবহকে সামনে রেখেই তিনি ও নোরা ফাতেহি গানটি প্রকাশের পরিকল্পনা করেন।
গানটির মিউজিক ভিডিও ধারণ করা হয়েছে পূর্ব আফ্রিকার দেশ তানজানিয়ার জানজিবারে। শুটিংয়ের জন্য মাত্র দুই দিনের সফরে সেখানে যান সঞ্জয় ও নোরা। তবে পুরো ভিডিওর দৃশ্যধারণ শেষ হয় মাত্র এক দিনেই। সঞ্জয়ের মতে, জানজিবারের সমুদ্রসৈকত ও মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ ভিডিওটিকে দিয়েছে আলাদা সৌন্দর্য ও ভিজ্যুয়াল আবেদন।
নতুন গান চ্যাম্পিয়ান প্রকাশের আগেই প্রচারণা শুরু করেছেন নোরা ফাতেহি। সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘বন্ধুরা, তোমরা সবাই চ্যাম্পিয়নের জন্য প্রস্তুত তো?’ এই পোস্টের পর থেকেই ভক্তদের মধ্যে গানটি নিয়ে উচ্ছ্বাস বেড়েছে।

এদিকে নতুন গান প্রকাশের পাশাপাশি বিশ্বকাপ ফুটবলের আমেজেও ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন সঞ্জয়। বাংলাদেশ সময় আজ সকাল আটটায় ডালাসের মাঠে বসে তাঁর উপভোগ করার কথা আর্জেন্টিনা ও জর্ডানের ম্যাচ। এবারের বিশ্বকাপে এটি তাঁর তৃতীয়বার স্টেডিয়ামে বসে খেলার দেখার অভিজ্ঞতা হতে যাচ্ছে। এর আগে তিনি কানাডা-বসনিয়া এবং স্পেন-সৌদি আরবের ম্যাচ সরাসরি মাঠে বসে দেখেছেন।
তবে এবারের ম্যাচটি সঞ্জয় দেবের জন্য বিশেষ আবেগের। কারণ, এই প্রথম তিনি স্টেডিয়ামে বসে নিজের চোখে দেখবেন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসিকে।
এ প্রসঙ্গে সঞ্জয় বলেন, “মেসি শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি একটি জীবন্ত কিংবদন্তি। টেলিভিশনের পর্দায় তাঁর অসংখ্য ম্যাচ দেখেছি। কিন্তু গ্যালারিতে বসে তাঁর খেলা উপভোগ করার অনুভূতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। একজন ফুটবলপ্রেমী হিসেবে এটি আমার জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হয়ে থাকবে।”