Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
শুক্রবার, এপ্রিল ১৭, ২০২৬

বাবাকে নিয়ে বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠি

বাবাকে নিয়ে বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠি
ছবি: সংগৃহীত

বন্যা মির্জার বাবাকে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন

বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠি প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।  এই চিঠির মাধ্যমে তিনি নিজের অনুভূতি, স্মৃতি এবং বাবার প্রতি ভালোবাসা তুলে ধরেন। শুক্রবার বন্যা মির্জা বাবাকে রায়েরবাজার কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে।

বাবার শেষ বিদায়ে ভেঙে পড়েন বন্যা মির্জা

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা মির্জা আবুল হাসনাত ইনামুল বারী ১৫ এপ্রিল সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে মারা যান।  বাবার মৃত্যুর সময় বন্যা মির্জা ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রে।  খবর পেয়ে দ্রুত দেশে ফিরে আসেন এবং বাবাকে শেষ বিদায় জানান।  এসময় কান্নায় ভেঙে পড়েন এই অভিনেত্রী।

বাবাকে নিয়ে বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠি
অভিনেত্রী বন্যা মির্জা, ছবি: সংগৃহীত

বাবার সততা ও জীবনদর্শন নিয়ে স্মৃতিচারণ

চিঠিতে বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠি শুধু শোকের প্রকাশ নয়, বরং একটি মানুষের জীবনদর্শনের প্রতিচ্ছবি।  তিনি বাবাকে একজন সৎ, নিরহংকার ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছেন।

তিনি লেখেন, তাঁর বাবা কখনো বিলাসিতা পছন্দ করতেন না।  বড় পদে চাকরি করলেও সবসময় সাধারণ জীবনযাপন করতেন। প রিবারকে তিনি সততা ও নৈতিকতার শিক্ষা দিয়ে গেছেন। অফিসের দায়িত্ব পালনে ছিলেন অত্যন্ত সচেতন ও সময়নিষ্ঠ।

শেষ রাতের স্মৃতি কাঁদিয়েছে সবাইকে

চিঠির সবচেয়ে আবেগঘন অংশ ছিল বাবার শেষ রাতের ঘটনা। বন্যা মির্জা উল্লেখ করেন, মৃত্যুর আগের রাতে তাঁর বাবা ভিডিও কলে সন্তানদের সঙ্গে কথা বলেন।  সেই সময় তিনি সবার কাছে ক্ষমাও চান।

এই ঘটনাই বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠিকে আরও হৃদয়বিদারক করে তুলেছে। পরদিন সকালে তিনি না–ফেরার দেশে চলে যান। পরিবারের জন্য এটি ছিল এক গভীর শূন্যতার মুহূর্ত।

বাবাকে নিয়ে বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠি
অভিনেত্রী বন্যা মির্জা, ছবি: সংগৃহীত

বাবার জন্য ক্ষমা ও দোয়া চেয়েছেন বন্যা মির্জা

বাবার মৃত্যুতে শুধু পরিবার নয়, সহকর্মী ও ভক্তরাও শোক প্রকাশ করেছেন।  সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠি শেয়ার করে সমবেদনা জানিয়েছেন।

তিনি তাঁর চিঠিতে সবার কাছে বাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন। পাশাপাশি কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে ক্ষমাও প্রার্থনা করেছেন। এই মানবিক বার্তা অনেকের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের পরিচালক হিসেবে মির্জা আবুল হাসনাত ইনামুল বারী দায়িত্ব পালন করেছেন।  অবসরের পর পরিবারই ছিল তাঁর জীবনের প্রধান সঙ্গী।

খেলাধুলার প্রতি তাঁর ছিল গভীর আগ্রহ। ফুটবল, ক্রিকেট, টেনিসসহ বিভিন্ন খেলা নিয়ে তিনি আলোচনায় মেতে উঠতেন।

এক জীবনের গল্পে ভালোবাসা ও বিদায়

বন্যা মির্জার আবেগঘন চিঠি যেন একটি সাধারণ জীবনের অসাধারণ গল্প তুলে ধরে। যেখানে ভালোবাসা, সততা এবং বিদায়ের কষ্ট একসঙ্গে মিশে গেছে।

+ posts
Share this article
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

কেটি পেরির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার গুরুতর অভিযোগ

কেটি পেরি ও রুবি রোজ মার্কিন পপ তারকা কেটি পেরির বিরুদ্ধে যৌন হেনস্তার একটি গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। প্রায়…
কেটি পেরির বিরুদ্ধে
0
Share