গত ১৮ অক্টোবর জুহুতে টাইগার শ্রফের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চলেছিল। সেদিন অভিনেতা নিজে অক্ষত থাকলেও তাঁর চালক গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনার পর থেকে তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই সামনে আসছে চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। মুম্বাই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এখন জানাচ্ছে, টাইগারই প্রথম নিশানা ছিলেন না। তাঁর আগে আরও তিন বড় তারকার বাড়ির দিকে নজর গিয়েছিল অভিযুক্তদের।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, প্রথমে সালমান খানের বাড়ির ওপর নজরদারি চালানো হয়। এরপর আমির খানের বাড়ির খোঁজ করা হয়, কিন্তু তিনি দক্ষিণ মুম্বাইয়ে সরে যাওয়ায় সেই চেষ্টা সফল হয়নি। তারপর ইমরান হাশমির বাড়ির ঠিকানা খুঁজতে স্থানীয় এলাকায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও সঠিক হদিস মেলেনি।
টাইগারকে যেভাবে নিশানা করা হয়
একটার পর একটা ঠিকানা না মেলায় অভিযুক্তরা সমাজমাধ্যমের দিকে ঝোঁকে। সেখানে টাইগার শ্রফের রিল ও ভিডিও দেখে তাঁর গতিবিধি বোঝার চেষ্টা চলে। এভাবেই জানা যায়, প্রতি রবিবার জুহুর পুষ্পা নারসি গ্রাউন্ডে ফুটবল খেলতে যান টাইগার। পুলিশের দাবি, এই তথ্যের ওপর ভর করেই তাঁকে নিশানা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এই মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন রাধা বর্মা, ববিতা রাও, কুণাল জামিনসিং ও সুমিত সরোলিয়া। তাঁদের ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ আছে। অস্ত্র কারা পৌঁছে দিয়েছিল, আর হামলার পর তা ফিরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা কী ছিল, সেই সূত্রগুলোও এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কুণালের সঙ্গে বিশ্নোই গোষ্ঠী ঘনিষ্ঠ অনিল পণ্ডিতের যোগাযোগ ছিল বলে পুলিশের দাবি।
তদন্ত এখনো চলছে। তাই এই ঘটনায় শেষ কথা বলার সময় এখনো আসেনি, কিন্তু একটা বিষয় পরিষ্কার, টাইগারের ঘটনাটা কোনো বিচ্ছিন্ন হামলা নয় বলেই তদন্তকারীরা দেখছেন।









