বলিউড অভিনেত্রী সারা আলী খানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব শেষ করে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার ওরহান আওয়াতরামানি ওরফে ওরি। সম্প্রতি নেহা ধুপিয়া ও অঙ্গদ বেদীর অনুষ্ঠান ‘ডাবল ডেট’-এ এসে নিজেই জানিয়েছেন সে কথা।
অনুষ্ঠানে সবচেয়ে বিখ্যাত যাকে আনফলো করেছেন, তার নাম বলতে বলা হলে এক মুহূর্তও না ভেবেই সারার নাম নেন ওরি। শুধু সারাই নন, তাঁর মা অভিনেত্রী অমৃতা সিংকেও আনফলো করেছেন তিনি।
ওরি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে খুব খোলাখুলিই বলি। সারার মা আমাকে খুব বকেছিলেন। তাই তাঁকেও অনুসরণ করা বন্ধ করে দিয়েছি।’
ওরির অভিমান সারা আলী খানকে ঘিরে
ছোটবেলা থেকেই বন্ধু সারা আর ওরি, কলেজজীবনেও ছিল তাঁদের ঘনিষ্ঠতা। কলেজের পরও প্রায় এক দশক ধরে টিকে ছিল এই বন্ধুত্ব। সারার জীবনের কঠিন সময়গুলোতে সব সময় পাশে ছিলেন ওরি।
২০২০ সালে অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর মাদকসংক্রান্ত তদন্তে নাম জড়ায় সারার। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে তাঁকে তলব করে নারকোটিকস কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। সে সময় গোয়ায় ছুটি কাটাচ্ছিলেন সারা, আর তাঁর পাশে ছিলেন ওরি।

গোয়ায় সারা আলী খান
ওরির ভাষায়, ‘আমরা তখন গোয়ায় ছিলাম। ও যখন এত বড় মামলায় জড়িয়ে পড়েছিল, আমি ওর সঙ্গে ছিলাম। কখনো ওর সঙ্গ ছাড়িনি।’ শুধু সারাই নয়, তাঁর মা আর ভাইয়ের পাশেও দাঁড়িয়েছিলেন বলে জানান তিনি।
কিন্তু নিজের জীবনের কঠিনতম সময়ে সারার কাছ থেকে সামান্য খোঁজখবরও পাননি বলে অভিযোগ ওরির। একবার ফোন করেও খোঁজ নেননি অভিনেত্রী। অথচ একসময় অনেকেই ওরিকে সারার সঙ্গ ছেড়ে দিতে বলেছিল, তিনি শোনেননি।

‘এত খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম, অথচ একবারও ফোন করল না। একবারও জানতে চাইল না, আমি কেমন আছি,’ বলেন ওরি। এই আঘাত থেকেই বন্ধুত্ব ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।
চলতি বছরের গোড়ায় সারাকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, পুরনো সম্পর্ক আর জোড়া লাগানো সম্ভব নয়। এত কিছুর পরও সারা তাঁর কাছে ক্ষমা চাননি বলেও দাবি ওরির। এই বিষয়ে সারার কোনো প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি।









