বাপ্পা মজুমদার-রুনা লায়লা
বাংলা গানের দুই ভিন্ন প্রজন্মের দুই জনপ্রিয় শিল্পী বাপ্পা মজুমদার-রুনা লায়লার নতুন বাংলা ক্ল্যাসিক ‘অনায়াসে’ নিয়ে মুক্তি পেয়েছে। আবেগ, প্রেম ও কাব্যিক অনুভূতির মিশেলে তৈরি এই গানটি ইতোমধ্যেই শ্রোতাদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে। গানটি মুক্তি পেয়েছে বাপ্পা মজুমদারের ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেলে।
‘অনায়াসে’ গানটির কথা লিখেছেন গালিব হাসান। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন বাপ্পা মজুমদার নিজেই। গানটি প্রকাশিত হয়েছে ‘অনুভব’ অ্যালবামের অংশ হিসেবে।

নির্মাতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, এটি শুধু একটি গান নয়; বরং দুই প্রজন্মের সংগীতভাবনার এক অনন্য সংলাপ। একদিকে রুনা লায়লার পরিণত ও আবেগঘন কণ্ঠ, অন্যদিকে বাপ্পা মজুমদারের আধুনিক সুরায়োজন, দুইয়ের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে সমসাময়িক বাংলা গজলের নতুন ও আধুনিক আবহ।
গানটির সংগীতায়োজনে তবলায় ছিলেন পল্লব সান্যাল, বেস গিটারে জন এস মুনশি। গিটার, কি-বোর্ড ও অন্যান্য প্রোগ্রামিং করেছেন বাপ্পা মজুমদার। রেকর্ডিং, মিক্সিং ও মাস্টারিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন সায়েদ আমজাদ হোসেন। গানটির কাজ সম্পন্ন হয়েছে বি এমজ ওয়ার্কস্টেশনে।
এছাড়া সমন্বয়ের দায়িত্বে ছিলেন শাহান কবন্ধ। বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানানো হয়েছে রাশি খান ও তানিয়া হোসেন কে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলা গজলের শ্রোতাদের জন্য ‘অনায়াসে’ হতে পারে একটি বিশেষ সংযোজন। গানে প্রেম, আকুলতা ও অনুভূতির কাব্যিক প্রকাশ গানটি সমসাময়িক বাংলা সংগীতের এক অনন্য সংযোজন ও ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে বলেও আশা তাদের।
শ্রোতা প্রতিক্রিয়া
গানটি শুনে মন্তব্যের ঘরে একজন লিখেছেন,
আলাউদ্দিন আলী স্যারের পরে রুণা ম্যাম এঁর গায়কীতে এমন সাহসী কাজ কমই হয়েছে। তাও আবার যুগলবন্দী। আরেকবার দারুণ কিছু হলো। ম্যাজিক্যাল মোমেন্ট তৈরি হলো। দারুণ দাদা দারুণ। আগামীদিনে আরও চাই।
মিরাজুল ইসলাম নামে আরেক শ্রোতা লিখেছেন,
চমৎকার কম্পোজিশন! অসাধারণ গায়কী। বাংলা গযল যে এত সুন্দর হতে পারে অনেকদিন পর শুনলাম। আরও গান চাই। অভিনন্দন রুনা ম্যাডাম এবং বন্ধু বাপ্পা।
আরেক শ্রোতা শাহরিয়ার লিখেছেন,
কে বলবে তার বয়স ৭৩?? এখনো এমন তীক্ষ্ণ মিষ্টি কণ্ঠ?! বাংলাদেশের সঙ্গীতের মা, উপমহাদেশের হীরা।
সব মিলিয়ে, বাপ্পা মজুমদার ও রুনা লায়লার এই যৌথ সংগীতকে বেশ সানন্দে গ্রহণ করেছেন শ্রোতারা। দুজনের গায়কীর ভূয়সী প্রশংসাও করলেন শ্রোতারা।


