Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬

রুনা লায়লার গান থেকে অনুপ্রেরণা

রুনা লায়লার গান থেকে অনুপ্রেরণা
রুনা লায়লা, ছবি: সংগৃহীত

টোটো ভাষার জন্য নতুন বর্ণমালা

রুনা লায়লার গান থেকেই জন্ম নেয় ভারতের এক ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর ভাষার বর্ণমালা তৈরির ভাবনা। পশ্চিমবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার ভুটান সীমান্তবর্তী ছোট্ট গ্রাম টোটোপাড়ায় বাস করে টোটো সম্প্রদায়।  এটি ভারতের অন্যতম প্রাচীন ও ক্ষুদ্র জনজাতি।  তাদের নিজস্ব ভাষা থাকলেও দীর্ঘদিন কোনো লিখিত বর্ণমালা ছিল না।  ফলে ভাষাটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যাওয়ার ঝুঁকিতে পড়ে।

পদ্মশ্রী পেলেন স্রষ্টা ধনীরাম টোটো

এই পরিস্থিতিতে কয়েক বছর আগে টোটো ভাষার জন্য নিজস্ব বর্ণমালা তৈরি করে আলোচনায় আসেন ধনীরাম টোটো।  ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ভারত সরকার তাঁকে পদ্মশ্রী পুরস্কার দেয়। তবে এই কাজের পেছনে যে অনুপ্রেরণা ছিল, সেটি অনেকেরই অজানা।

রুনা লায়লার গান থেকে অনুপ্রেরণা
ছবি: সংগৃহীত

ধনীরাম টোটো এক সাক্ষাৎকারে জানান, একদিন রেডিওতে তিনি রুনা লায়লার গান শুনছিলেন। গানটির একটি লাইন ছিল, ‘তুমি আমি লিখি প্রাণের বর্ণমালা’। এই লাইন তাঁর মনে গভীর প্রভাব ফেলে। তখনই তাঁর মনে প্রশ্ন জাগে, অন্য ভাষার যদি নিজস্ব বর্ণমালা থাকে, তবে টোটো ভাষার কেন থাকবে না?

ভাষা বাঁচানোর গবেষণা ও সংগ্রাম

সেই ভাবনা থেকেই শুরু হয় তাঁর দীর্ঘ গবেষণা। পরে তিনি টোটো ভাষার জন্য একটি স্বতন্ত্র লিপি তৈরি করেন। এই লিপি এখন ‘টোটো-হরফ’ বা ‘তোত্বিকো আল্লাবেত’ নামে পরিচিত।

এদিকে টোটো ভাষা সংরক্ষণের আরেক উদ্যোগ নিয়েছেন ভক্ত টোটো। তিনি বাংলা বর্ণমালা ব্যবহার করে এই ভাষাকে নথিভুক্ত করার চেষ্টা করছেন। স্থানীয়ভাবে শব্দ সংগ্রহ, গল্প লেখা এবং শিক্ষায় ভাষাটি ব্যবহার করার উদ্যোগও চলছে।

রুনা লায়লার গান থেকে অনুপ্রেরণা
ছবি: সংগৃহীত

টোটো ভাষা রক্ষায় নতুন প্রজন্মের লড়াই

তবে চ্যালেঞ্জ এখনো রয়েছে। আধুনিক শিক্ষা ও বহিরাগত সংস্কৃতির প্রভাবের কারণে ভাষাটি টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে উঠেছে। তবু নতুন প্রজন্মকে সঙ্গে নিয়ে নিজেদের ভাষা ও সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখতে সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছে টোটো সম্প্রদায়।

রুনা লায়লার গান থেকে অনুপ্রেরণা
রুনা লায়লা, ছবি: সংগৃহীত

রুনা লায়লা বিশ্বের অন্যতম বহুভাষী প্লেব্যাক শিল্পী।  বাংলা, হিন্দি, উর্দু, পাঞ্জাবি, সিন্ধি, গুজরাটি, স্প্যানিশসহ ১৮টিরও বেশি ভাষায় প্রায় ১০ হাজারেরও বেশি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।  শ্রেষ্ঠ কণ্ঠশিল্পী হিসেবে ৭ বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।  আর ২০১৮ সালে পান শ্রেষ্ঠ সুরকারের পুরস্কার।

+ posts
Share this article
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

ইন্ডাস্ট্রি ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে: অপু বিশ্বাস

ঢালিউডের নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে যা বললেন ঢালিউডের কুইন অপু বিশ্বাস আবারও ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ইন্ডাস্ট্রির তিক্ততা…
ইন্ডাস্ট্রি ডাস্টবিনে পরিণত হয়েছে: অপু বিশ্বাস

খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছেন স্বাধীনতা পুরস্কার

স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও সমাজগঠনে অবদানের স্বীকৃতি প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ…
খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার

রাশমিকা-বিজয়ের বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় কারা কারা গেলেন?

রাশমিকা-বিজয়ের বিয়ে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণের জনপ্রিয় তারকাজুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা বিয়ে…
রাশমিকা-বিজয়ের বিবাহোত্তর
0
Share