জুলাই গণ অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজিত ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ কনসার্টে গান গাইতে গিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনার মুখে পড়েন ব্যান্ড আর্কের হাসান । মঞ্চে পরিবেশনার সময় দর্শকসারি থেকে তাঁর দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারা হয়। ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনা হলেও বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখছেন আর্কের হাসান।
ঘটনার পর সংগীতশিল্পী হাসান বলেন, দীর্ঘ সংগীতজীবনে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি আগে কখনো হননি। বহু বছর ধরে বাংলা ব্যান্ড সংগীতের বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় সঙ্গে যুক্ত তিনি। নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলেও মঞ্চে একজন শিল্পীর দিকে বোতল ছুড়ে মারার ঘটনা তাঁর কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

আর্কের হাসান জানান, তিনি বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে চান। তাঁর বিশ্বাস, যে ব্যক্তি এমনটি করেছেন, হয়তো না বুঝেই কাজটি করেছেন। তাই ঘটনাটি নিয়ে কঠোর কোনো প্রতিক্রিয়ার বদলে ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না হয়, সেই প্রত্যাশাই জানিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে শিল্পীদের রাজনৈতিক পরিচয়ে বিচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন আর্কের হাসান। তাঁর মতে, একজন শিল্পী কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শিল্পী নন। শিল্পী হিসেবে তাঁর পরিচয় আজীবনের। বিভিন্ন সময়ে সরকারি, বেসরকারি কিংবা রাজনৈতিক নানা আয়োজনে শিল্পীদের অংশ নিতে হয়। এ কারণে তাঁদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা ঠিক নয়।
সংগীতশিল্পী হাসান বলেন, শিল্পীরা মানুষের জন্যই গান করেন। বিনিময়ে তাঁরা মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান আশা করেন। তাই কোনো শিল্পীকে অসম্মান করা কিংবা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি করা উচিত নয়।

আর্কের হাসান এর অনুরোধ
ভবিষ্যতের জন্য আর্কের হাসান একটাই অনুরোধ দেশের কোনো শিল্পী যেন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি না হন। কনসার্টে দর্শকদের যেমন শিল্পীদের প্রতি সম্মান দেখানো উচিত, তেমনি আয়োজকদেরও শিল্পীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সংগীত ও বিনোদন অঙ্গনের অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, ‘গতকাল মঞ্চে শিল্পী হাসান যখন ব্যান্ড নিয়ে গান করছিলেন; তখন তাকে বোতল ছুড়ে মেরেছে কেউ কেউ। কেন? সামনের দিকে একটা দল ভুয়া, ভুয়া বলে চিৎকার করছিল। কারা? কী উদ্দ্যেশ্যে অনুষ্ঠানে ছিল?’

তিনি লিখেছেন, ‘এ থেকে যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ সিসি ক্যামেরা ও মোবাইল ফোনের ক্যামেরা ছিল, ইচ্ছে করলেই এদেরকে চিহ্নিত করা যায়। প্রত্যেককে দাগযুক্ত করুন।’
জুলাই গণ অভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আয়োজিত ‘বর্ষা বিপ্লবের গান’ কনসার্টে গান গাইতে গিয়ে অপ্রীতিকর ঘটনার মুখে পড়েন ব্যান্ড আর্কের হাসান । মঞ্চে পরিবেশনার সময় দর্শকসারি থেকে তাঁর দিকে পানির বোতল ছুড়ে মারা হয়। ঘটনাটি নিয়ে সমালোচনা হলেও বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখছেন আর্কের হাসান।
ঘটনার পর সংগীতশিল্পী হাসান বলেন, দীর্ঘ সংগীতজীবনে এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি আগে কখনো হননি। বহু বছর ধরে বাংলা ব্যান্ড সংগীতের বোতল নিক্ষেপের ঘটনায় সঙ্গে যুক্ত তিনি। নানা অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গেলেও মঞ্চে একজন শিল্পীর দিকে বোতল ছুড়ে মারার ঘটনা তাঁর কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত।

আর্কের হাসান জানান, তিনি বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে চান। তাঁর বিশ্বাস, যে ব্যক্তি এমনটি করেছেন, হয়তো না বুঝেই কাজটি করেছেন। তাই ঘটনাটি নিয়ে কঠোর কোনো প্রতিক্রিয়ার বদলে ভবিষ্যতে যেন এমন পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি না হয়, সেই প্রত্যাশাই জানিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে শিল্পীদের রাজনৈতিক পরিচয়ে বিচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন আর্কের হাসান। তাঁর মতে, একজন শিল্পী কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য শিল্পী নন। শিল্পী হিসেবে তাঁর পরিচয় আজীবনের। বিভিন্ন সময়ে সরকারি, বেসরকারি কিংবা রাজনৈতিক নানা আয়োজনে শিল্পীদের অংশ নিতে হয়। এ কারণে তাঁদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ করে দেখা ঠিক নয়।
সংগীতশিল্পী হাসান বলেন, শিল্পীরা মানুষের জন্যই গান করেন। বিনিময়ে তাঁরা মানুষের ভালোবাসা ও সম্মান আশা করেন। তাই কোনো শিল্পীকে অসম্মান করা কিংবা অপ্রীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি করা উচিত নয়।

আর্কের হাসান এর অনুরোধ
ভবিষ্যতের জন্য আর্কের হাসান একটাই অনুরোধ দেশের কোনো শিল্পী যেন এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি না হন। কনসার্টে দর্শকদের যেমন শিল্পীদের প্রতি সম্মান দেখানো উচিত, তেমনি আয়োজকদেরও শিল্পীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব রয়েছে।
ঘটনাটি নিয়ে সংগীত ও বিনোদন অঙ্গনের অনেকেই প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। গীতিকার প্রিন্স মাহমুদ লিখেছেন, ‘গতকাল মঞ্চে শিল্পী হাসান যখন ব্যান্ড নিয়ে গান করছিলেন; তখন তাকে বোতল ছুড়ে মেরেছে কেউ কেউ। কেন? সামনের দিকে একটা দল ভুয়া, ভুয়া বলে চিৎকার করছিল। কারা? কী উদ্দ্যেশ্যে অনুষ্ঠানে ছিল?’

তিনি লিখেছেন, ‘এ থেকে যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারত। সেখানে পর্যাপ্ত পরিমাণ সিসি ক্যামেরা ও মোবাইল ফোনের ক্যামেরা ছিল, ইচ্ছে করলেই এদেরকে চিহ্নিত করা যায়। প্রত্যেককে দাগযুক্ত করুন।’
ঘটনার পর সংগীতপ্রেমী, ভক্ত এবং সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিভিন্ন ব্যক্তিত্বও শিল্পীদের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি তুলেছেন। তাঁদের মতে, বড় আকারের কনসার্টে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা জরুরি। একই সঙ্গে দর্শকদের মধ্যেও শিল্পীদের প্রতি সম্মান ও দায়িত্বশীল আচরণের সংস্কৃতি গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত।
সব মিলিয়ে, একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও আর্কের হাসানের সংযত প্রতিক্রিয়া অনেকের প্রশংসা কুড়িয়েছে। তিনি প্রতিশোধ নয়, বরং সচেতনতা, পারস্পরিক সম্মান এবং নিরাপদ সাংস্কৃতিক পরিবেশ গড়ে তোলার বার্তাই দিয়েছেন।






