অভিনয়জীবনের শুরুতে পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন মাত্র পাঁচ হাজার টাকা। সময়ের সঙ্গে বদলেছে সেই অঙ্ক। এখন একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ১৫ লাখ টাকার বেশি পারিশ্রমিক নেন চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম। ছোট পর্দা দিয়ে শুরু করে বড় পর্দায় নিজের অবস্থান তৈরি করেছেন তিনি। তবে ক্যারিয়ারের প্রথম উপার্জনের স্মৃতি এখনো যত্নে রেখেছেন এই অভিনেত্রী।
মিমের অভিনয়জীবনের শুরুটা হয়েছিল প্রয়াত কথাসাহিত্যিক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরে। তাঁর পরিচালিত ‘রহস্য’ নাটকে অভিনয়ের জন্য প্রথম পারিশ্রমিক পান পাঁচ হাজার টাকা। এক সাক্ষাৎকারে মিম জানিয়েছিলেন, সেই টাকা মায়ের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। তবে হুমায়ূন আহমেদের কাছ থেকে পাওয়া প্রথম সম্মানীর স্মৃতি হিসেবে টাকাটি এখনো সংরক্ষণ করে রেখেছেন তিনি।

২০০৭ সালে ‘লাক্স-চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হন মিম। এর আগে প্রায় দুই বছর ধরে মিডিয়ায় কাজের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। প্রতিযোগিতায় জয়ের পর মডেলিং ও নাটকে অভিনয়ের সুযোগ আসে। শুরুতে কয়েকটি প্রস্তাব পেলেও প্রধান চরিত্রে অভিনয়ের প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর।
‘আমার আছে জল’ সিনেমায় অভিষেক
২০০৮ সালে হুমায়ূন আহমেদের ‘আমার আছে জল’ সিনেমার মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হয় মিমের। প্রথম সিনেমাতেই দেশের প্রতিষ্ঠিত অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে কাজের সুযোগ পান তিনি। সিনেমাটির জন্য পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন তিন লাখ টাকা।
এরপর ‘আমার প্রাণের প্রিয়া’, ‘জোনাকির আলো’, ‘তারকাঁটা’, ‘পদ্ম পাতার জল’, ‘ইত্তেফাক’, ‘অন্তর্জাল’, ‘পরাণ’ ও ‘দামাল’-এর মতো সিনেমায় অভিনয় করেছেন মিম। সময়ের সঙ্গে চলচ্চিত্রে নিজের অবস্থানও শক্ত করেছেন এই অভিনেত্রী।

এখন সিনেমাপ্রতি ১৫ লাখের বেশি
অভিনয়ের শুরুতে পাঁচ হাজার টাকা পারিশ্রমিক পাওয়া মিমের আয় এখন অনেক বেড়েছে। গত বছর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে একটি সিনেমায় অভিনয়ের জন্য ১৫ লাখ টাকার বেশি পারিশ্রমিক নেন তিনি। অর্থাৎ অভিনয়জীবনের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত তাঁর পারিশ্রমিকের অঙ্কে এসেছে বড় পরিবর্তন।
তবে অর্থের অঙ্ক বদলালেও ক্যারিয়ারের প্রথম উপার্জনের স্মৃতি ভুলে যাননি মিম। হুমায়ূন আহমেদের নাটকে অভিনয়ের সুবাদে পাওয়া সেই পাঁচ হাজার টাকা এখনো তাঁর কাছে বিশেষ স্মৃতি হয়ে আছে।






