‘টক্সিক: আ ফেইরি টেল ফর গ্রাউন-আপস’
এখনো মুক্তি দেয়া হয়নি টক্সিকের কিন্তু টক্সিক- মুক্তির আগেই প্রায় ৬০০ কোটি রুপি আয় করেছে। এই সিনেমাটির এতো জনপ্রিয়তয়া নিয়ে কথা বলেছেন প্রবীণ প্রযোজক ড. জি ধনঞ্জয়ন। সিনেমাটির এই জনপ্রিয়তা তারকাখ্যাতি নয়; বরং পরিকল্পিত সর্ব ভারতীয় কৌশলের ফলাফল বলে জানিয়েছেন তিনি। ‘টক্সিক: আ ফেইরি টেল ফর গ্রাউন-আপস’ পরিচালনা করেছেন গীতু মোহনদাস। এতে প্রধান ভূমিকায় আছেন কেজিএফ অভিনেতা যশ।

প্রায় চার বছর পর বড় পর্দায় ফিরছেন অভিনেতা যশ। তার নতুন ছবি মুক্তির আগেই যে বিপুল অঙ্কের ব্যবসা করেছে, তা সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণি সিনেমার ক্ষেত্রে বড় নজির বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। ধনঞ্জয়নের মতে, ছবিটির কাস্টিংই এর সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। তিনি বলেন, ছবিতে এমনভাবে অভিনয়শিল্পীদের নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আলাদা আলাদা দর্শকগোষ্ঠীর সঙ্গে সংযোগ তৈরি হয়।

এই ছবিতে রয়েছেন নয়নতারা, রুক্মিণী বসন্ত, টোভিনো থমাস। ধনঞ্জয়নের মতে, প্রত্যেকের নিজস্ব আঞ্চলিক জনপ্রিয়তা থাকার কারণে ছবিটি সত্যিকারের ‘প্যান ইন্ডিয়ান’ রূপ লাভ করেছে।
নয়নতারা ইতিমধ্যে হিন্দি সিনেমা বেশ পরিচিত ও জনপ্রিয় মুখ, রুক্মিণী দক্ষিণ ভারতে আলোচিত অভিনেত্রী, টোভিনো মালয়ালম ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় তারকা। এই বহুমাত্রিক তারকা সংগ্রহের কারণ ও কৌশলে সিনেমাটির প্রি-রিলিজ ব্যবসায়ের সাফল্যে বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করেন তিনি।
টক্সিক -এর এতো আয়ের উৎস
তবে আরেকটি প্রশ্ন উঠেছে সাথে, এই প্যান ইন্ডিয়ান ধারনা কি কেবল সিনেমা ডাবিং করেই শেষ কিনা এমন প্রশ্ন উঠেছে। এ নিয়ে ধনঞ্জয়ন জানান, প্যান ইন্ডিয়া সিনেমা মানে শুধু একটি দক্ষিণি ছবিকে ডাব করে সর্বত্র মুক্তি দেওয়া নয়; বরং শুরু থেকেই এমন পরিকল্পনা থাকতে হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন ভাষা ও অঞ্চলের দর্শক ছবিটিকে নিজেদের বলে মনে করেন।

ধনঞ্জয়ন দাবি করেন, হাজার কোটির বেশি আয় করা দক্ষিণি ছবিগুলোর ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ আয় এসেছে উত্তর ভারত থেকে। তাঁর মতে, উত্তর ভারতের বাজার ধরতে না পারলে বড় সাফল্য সম্ভব নয়, এ বাস্তবতা মাথায় রেখেই ‘টক্সিক’-এর কৌশল নির্ধারণ করা হয়েছে।
টক্সিক কবে মুক্তি পাবে?
আগামী ১৯ মার্চ মুক্তি পাবে ‘টক্সিক’ সিনেমাটি। তবে একই দিনে আরেক হিট ছবি ধুরন্ধর এর দ্বিতীয় কিস্তি ‘ধুরন্ধর ২’-ও মুক্তি পাবে। বক্স অফিসে এই দুটি সিনেমা প্রতিযোগিতায় নামছে। তবে ধনঞ্জয়নের মতে, এটি ঝুঁকি নয়; বরং আত্মবিশ্বাসের প্রকাশ। তাঁর ভাষায়, সঠিক কৌশল নিয়েই ছবিটি মুক্তির দিন ঠিক করা হয়েছে।
মুক্তির আগে ব্যবসার এ অঙ্ক অবশ্যই চমকপ্রদ। তবে শেষ কথা বলবে দর্শকই। ১৯ মার্চ প্রেক্ষাগৃহে ছবি মুক্তির পরই বোঝা যাবে, আগাম ব্যবসার এ সাফল্য বক্স অফিসে কতটা প্রতিফলিত হয়।


