মিউজিক্যাল রোমান্টিক সিনেমা
ঢাকার প্রেক্ষাগৃহগুলোতে প্রদর্শিত হচ্ছে নির্মাতা আজমান রুশো পরিচালিত মিউজিক্যাল রোমান্টিক সিনেমা রকস্টার। ছবিটির প্রচারণায় অংশ নিয়ে নির্মাতা দাবি করেছেন, এটি এমন একটি সিনেমা যা দর্শকদের শুধু বিনোদনই দেবে না, বরং এর গল্প ও গান দীর্ঘ সময় ধরে ভাবাবে।
সিনেমাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু নেতিবাচক মন্তব্যের প্রসঙ্গে আজমান রুশো বলেন, ‘সিনেমাটি মাত্র মুক্তি পেয়েছে, একটু সময় দিন। এটি কারও ভালো লাগবে কারও খারাপ লাগবে; যেটা কমপ্লিটলি ফাইন। দর্শককেই সিদ্ধান্ত নিতে দিন। আমরা কারও ওপর চাপিয়ে দিই না দেখেই। কিন্তু দেখে বলুক। আপনারা হয়তো অনেক নেতিবাচক মন্তব্য দেখছেন, কিন্তু এটা কি দেখছেন প্রতিটি শো হাউসফুল যাচ্ছে। তাহলে কারা দেখছেন?’
নির্মাতার মতে, ‘রকস্টার’ এমন কোনো চলচ্চিত্র নয় যা দেখে সহজেই ভুলে যাওয়া যাবে। বিশেষ করে ছবির গানগুলোতে দর্শন ও গভীর ভাবনার বিষয় রয়েছে, যা একবার শুনেই পুরোপুরি উপলব্ধি করা কঠিন। তিনি জানান, সিনেমাটি এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যাতে দর্শকের মনে এর প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হয়।
এর আগে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী সাবিলা নূর বলেন, ‘রকস্টার’ তাঁর কাছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী চলচ্চিত্র। ছবিতে শাকিব খান নিজেকে একেবারে নতুনভাবে উপস্থাপন করেছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। সাবিলার মতে, এটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ভিন্ন ধরনের একটি মিউজিক্যাল রোমান্টিক সিনেমা, যেখানে তাঁর চরিত্র ‘মীরা’ এবং শাকিব খানের চরিত্র ‘আগুন’-এর রসায়ন দর্শকদের জন্য নতুন অভিজ্ঞতা হয়ে উঠবে।
অভিনেত্রী তানজিয়া মিথিলাও ছবিটিকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্রে নতুন ধারার সংযোজন হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, বাংলা সিনেমার বিকাশের জন্য ভিন্ন ঘরানার চলচ্চিত্রের প্রয়োজন রয়েছে এবং ‘রকস্টার’ সেই প্রচেষ্টারই একটি অংশ।
ছবিতে একজন সংগীতশিল্পীর জীবনসংগ্রাম, উত্থান-পতন এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার গল্প তুলে ধরা হয়েছে। নির্মাতা আজমান রুশো জানান, সংগীতজগতের সঙ্গে তাঁর নিজের সম্পৃক্ততা এবং বাস্তব জীবনের বিভিন্ন রকস্টারের অভিজ্ঞতা থেকেই গল্পটির অনুপ্রেরণা এসেছে।
ছবিতে শাকিব খান, সাবিলা নূর ও তানজিয়া মিথিলার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন সুনিধি নায়েক। সিনেমাটির অধিকাংশ গানের কথা ও সুর করেছেন আহমেদ হাসান সানি, সংগীত পরিচালনায় রয়েছেন জাহিদ নীরব। চিত্রনাট্য লিখেছেন নুসরাত মাটি এবং সংলাপ রচনা করেছেন আয়মান আসিব ও সামিউল ভূঁইয়া।
প্রযোজনা করেছে সান মোশন পিকচার্স লিমিটেড এবং ছবিটির এক্সক্লুসিভ স্ট্রিমিং পার্টনার হলো চরকি।