১০৩ হলে ‘রকস্টার’
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশের ১৮১টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে আটটি নতুন চলচ্চিত্র। অ্যাকশন, রোমান্স ও ভিন্নধর্মী গল্পে সাজানো এসব সিনেমা ঘিরে এবারও দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে তৈরি হয়েছে উৎসবমুখর পরিবেশ।
মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমাগুলো হলো, রকস্টার, রইদ, মালিক, বনলতা সেন, মাসুদ রানা, পিনিক, তছনছ এবং অফিসার।
এর মধ্যে কিছু সিনেমা একযোগে সিঙ্গেল স্ক্রিন ও মাল্টিপ্লেক্সে মুক্তি পেয়েছে, আবার কিছু শুধুমাত্র মাল্টিপ্লেক্সে প্রদর্শিত হচ্ছে।
রকস্টার
সবচেয়ে বেশি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে রকস্টার। শাকিব খান অভিনীত সিনেমাটি সিঙ্গেল স্ক্রিন ও মাল্টিপ্লেক্স মিলিয়ে ১০৩টি হলে চলছে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আজমান রুশো। এতে আরও অভিনয় করেছেন সাবিলা নূর, তানজিয়া জামান মিথিলা এবং সুনিধি নায়েক।

মালিক
ঈদে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে মালিক। আরিফিন শুভ ও বিদ্যা সিনহা মিম অভিনীত সিনেমাটি সিঙ্গেল স্ক্রিন ও মাল্টিপ্লেক্স মিলিয়ে ৩২টি হলে প্রদর্শিত হচ্ছে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন সাঈফ চন্দন।

রইদ
রইদ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন মেজবাউর রহমান সুমন। মাল্টিপ্লেক্সের ১১টি হলে মুক্তি পাওয়া সিনেমাটি ঘিরে দর্শকদের আগ্রহ বেশ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এক সাধু ও তার মানসিক ভারসাম্যহীন স্ত্রীর জীবনসংগ্রামকে কেন্দ্র করে নির্মিত এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন নাজিফা তুষি, মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, গাজী রাকায়েত এবং আহসাবুল ইয়ামিন রিয়াদ।

বনলতা সেন
সরকারি অনুদানে নির্মিত বনলতা সেন মুক্তি পেয়েছে দেশের ৮টি মাল্টিপ্লেক্সে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন মাসুদ হাসান উজ্জ্বল। এতে বনলতা সেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন মাসুমা রহমান নাবিলা এবং কবি জীবনানন্দ দাশ চরিত্রে দেখা গেছে খায়রুল বাশার কে।

মাসুদ রানা
অন্যদিকে, মাসুদ রানা সিনেমাটি মাল্টিপ্লেক্সের চারটি হলে মুক্তি পেয়েছে। সৈকত নাসির পরিচালিত এ সিনেমায় অভিনয় করেছেন রাসেল রানা, পূজা চেরি ও সৈয়দা তিথি অমনি। সিনেমাটি প্রযোজনা করেছে ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও জাজ মাল্টিমিডিয়া।

পিনিক
পিনিক সিনেমায় জুটি বেঁধেছেন শবনম বুবলী ও আদর আজাদ। জাহিদ জুয়েল পরিচালিত সিনেমাটি দেশের তিনটি মাল্টিপ্লেক্সে চলছে।

তছনছ ও অফিসার
এছাড়া তছনছ ও অফিসার , দুটি সিনেমাই পরিচালনা করেছেন বদিউল আলম খোকন। ‘তছনছ’ এ অভিনয় করেছেন ববি হক ও মুন্না খান। অন্যদিকে ‘অফিসার’ এ দেখা গেছে মাহিয়া মাহি ও ডি এ তায়েব কে। সিনেমা দুটি ঈদে ১০টি করে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে।


চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্টদের আশা, বৈচিত্র্যময় এই আয়োজন দর্শকদের আবারও প্রেক্ষাগৃহমুখী করবে এবং ঈদের ছুটিতে দেশের সিনেমা হলে বাড়তি প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে আনবে।


