ব্রাজিলের সমর্থক দুই অভিনেত্রী
ঢালিউডের আলোচিত দুই অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীকে ঘিরে ব্যক্তিগত ও পেশাগত নানা বিষয় প্রায়ই আলোচনার জন্ম দেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁদের বিভিন্ন পোস্ট, মন্তব্য কিংবা ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যে বহুবার মতপার্থক্য ও দূরত্বের আভাস মিলেছে। ফলে ভক্ত-অনুরাগীদের কাছেও এই দুই তারকার সম্পর্ক নিয়ে কৌতূহলের কমতি নেই। কিন্তু দুজনেই ব্রাজিলের সমর্থক, ফলে ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হলে অপু-বুবলীর মধ্যকার দূরত্ব শেষ হবে কিনা এমন প্রশ্নও উঠছে।
তবে এত অমিলের মাঝেও একটি জায়গায় এসে মিল খুঁজে পাওয়া গেল অপু ও বুবলীর। সেটি হলো ফুটবল বিশ্বকাপ এবং ব্রাজিল জাতীয় দলের প্রতি তাঁদের ভালোবাসা। ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপকে ঘিরে যখন সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ফুটবল–উন্মাদনা ছড়িয়ে পড়েছে, তখন প্রিয় দলকে সমর্থন জানাতে সরব হয়েছেন দেশের তারকারাও। সেই তালিকায় রয়েছেন অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী।
বুবলীর পোস্ট
শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক পেজে ব্রাজিলের জার্সি পরা একটি পোস্টার প্রকাশ করেন শবনম বুবলী। হলুদ-সবুজ জার্সিতে তোলা ছবির সঙ্গে তিনি লিখেছেন, “জিতলেও ব্রাজিল, হারলেও ব্রাজিল।” ক্যাপশনে শুধু বর্তমান দলের প্রতি সমর্থনই নয়, ছোটবেলার ফুটবল স্মৃতির কথাও তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী। ব্রাজিলের কিংবদন্তি ফুটবলার রোনালদো, কাকা, রবিনহো ও রোনালদিনহোর নাম উল্লেখ করে তিনি লেখেন, “আহা! সেই ছোট্টবেলার আবেগ।”
অপু কট্টর সমর্থক
অন্যদিকে অপু বিশ্বাসও নিজেকে ব্রাজিল দলের কট্টর সমর্থক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তাঁর মতে, ফুটবল শুধু একটি খেলা নয়, এটি এক ধরনের শিল্প। অপু বলেন,
আমি মনে করি, যারা নান্দনিক খেলা বোঝে, তারা ব্রাজিল করে। ফুটবল যে একটা আর্ট, সেটা ব্রাজিলের খেলা দেখলেই মনে হয়।
ব্রাজিলের প্রতি ভালো লাগার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অপু বিশেষভাবে প্রশংসা করেন তারকা ফুটবলার নেইমারের। তাঁর খেলার ধরন, স্টাইল ও ব্যক্তিত্ব অপুকে মুগ্ধ করে। পাশাপাশি আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসির ব্যক্তিত্বও তাঁর পছন্দের তালিকায় রয়েছে।
দূরত্ব কি শেষ হবে?
এদিকে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মরক্কোর বিপক্ষে ১-১ গোলে ড্র করেছে ব্রাজিল। তবে ফল যাই হোক, অপু ও বুবলীর সমর্থনে যে ব্রাজিলই জয়ী, সেটি আর বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে এদিকে নেটিজেন মহলে প্রশ্ন উঠেছে ব্রাজিল যদি চ্যাম্পিয়ন হয় তাহলে কি অপু–বুবলীর দূরত্ব শেষ হবে? যেহেতু দুজনেই ব্রাজিলিয়ান, আর ব্রাজিলিয়ানরা তো এক পরিবার। ফলে, পরিবারে তো দূরত্ব থাকতে নেই। দুজনেই ব্রাজিল সমর্থক হওয়াতে সামাজিক মাধ্যমে এখন এ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা। তবে দূরত্ব শেষ হয় কিনা তা দেখা যাবে কেবলমাত্র ব্রাজিল চ্যাম্পিয়ন হলেই।


