একুশে পদক
দেশের বিশিষ্ট নয়জন ব্যক্তিকে একুশে পদক দেয়ার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। বিখ্যাত ব্যান্ডশিল্পী আইয়ুব বাচ্চুও পেলেন ২০২৬ সালের একুশে পদক। আইয়ুব বাচ্চুর একুশে পদক প্রাপ্তিতে আবেগাপ্লুত তাঁর স্ত্রী ফেরদৌস আক্তার চন্দনা।
আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ফেরদৌস আক্তার গণমাধ্যমকে তাঁর অনুভূতির কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘খবরটা শুনে খুশি হলাম। বাচ্চু থাকলে বেশি খুশি হতো। পুরস্কারটা নিজে হাতে নিতে পারলে খুশি হতো। বাচ্চুর সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের ভালোবাসা আছে। দেরিতে হলেও পেয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ।’

আইয়ুব বাচ্চু ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর মারা গেছেন। তার মৃত্যুর পর ২০২০ সালে আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুরু হয়। ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা ফেরদৌস আক্তার বলেন, ‘সবার দোয়া চাই। আমরা তার রেখে যাওয়া কাজ যেন শেষ করতে পারি।’
ব্যান্ড এলআরবিও আইয়ুব বাচ্চুকে এই প্রাপ্তিতে স্মরণ করেছে। এক ফেসবুক পোস্টে ব্যান্ডটি লিখেছে, ‘এটি শুধু একজন শিল্পীর সম্মাননা নয়, এটি বাংলা সংগীতের প্রতি তাঁর আজীবন সাধনা, সততা ও সাহসী সৃজনশীলতার রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি।
‘গিটার হাতে তিনি যে ভাষায় গান করেছেন, তা প্রজন্মের পর প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করেছে। প্রেম, প্রতিবাদ, স্বপ্ন আর জীবনের গল্প তিনি সুরে সুরে বলে গেছেন অক্লান্তভাবে।’

এলআরবির ভাষ্য, ‘আইয়ুব বাচ্চু আমাদের মাঝে নেই, কিন্তু তাঁর গান আমাদের রক্তে, আমাদের স্মৃতিতে, আমাদের চলার পথে বেঁচে থাকবে চিরকাল। একুশে পদক সেই চিরজীবী সুরেরই প্রাপ্য সম্মান।’
এ বছর আইয়ুব বাচ্চুসহ দেশের ৯ বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ১টি প্রতিষ্ঠানকে ২০২৬ সালের একুশে পদকের জন্য মনোনীত করেছে সরকার। পুরস্কারে আরও আছেন ফরিদা আক্তার ববিতা, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, মেরিনা তাবাশ্যুম, ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিক শফিক রেহমান, অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার, তেজস হালদার যশ ও অর্থী আহমেদ। আর প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুরস্কার পেয়েছে রকব্যান্ড ওয়ারফেজ।


