‘বিগ বস বাংলা’
ভারতের টেলিভিশন প্ল্যাটফর্ম জিওস্টারের স্টার জলসা চ্যানেলে আবারও ফিরছে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো বিগ বস বাংলা। প্রায় এক দশক পর বাংলা ভাষার টেলিভিশনে এই ফরম্যাটটি পুনরায় চালু করতে যাচ্ছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এন্ডেমল শাইন ইন্ডিয়া। আর ভারতের কিংবদন্তী ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলির উপস্থাপনায় ‘বিগ বস বাংলা’ ফিরছে এক দশক পর।
এ নিয়ে ‘বানিজয় এশিয়া’ এবং এন্ডেমল শাইন ইন্ডিয়া–এর প্রতিষ্ঠাতা ও গ্রুপ সিইও, দীপক ধর বলছেন,‘বিগ বস’ দেশের অন্যতম শক্তিশালী ও দীর্ঘস্থায়ী বিনোদনধর্মী ফরম্যাটে পরিণত হয়েছে।“

তিনি আরও বলেন, বিগ বস বাংলা’–এর জন্য আমাদের সহযোগী হিসেবে ‘স্টার জলসা’ রয়েছে, আর সৌরভ গাঙ্গুলির উপস্থাপনায় ‘বিগ বস বাংলা’ দর্শকদের সঙ্গে গভীরভাবে সংযোগ স্থাপন করতে পারবে।”
বিগ বস এখন সাতটি ভাষায়
এই মাধ্যমে ‘বিগ বস’ ভারতে এখন মোট সাতটি ভাষায় সম্প্রসারিত হবে। ইতিমধ্যেই কন্নড়, তামিল, তেলুগু, মারাঠি, মালয়ালম ও হিন্দি ভাষায় এই শোর সংস্করণ প্রচারিত হয়েছে। অনুষ্ঠানটি প্রযোজনা করছেন ‘বাণিজয় এন্টারটেইনমেন্ট।
এদিকে হিন্দি সংস্করণের সাম্প্রতিক মৌসুমটিও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। শেষ সপ্তাহে এটি ভারতে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে সবচেয়ে বেশি দেখা নন-ফিকশন শো হিসেবে জায়গা করে নেয়।
‘বিগ বস’ ও ‘বিগ ব্রাদার’ ফরম্যাট
জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস” আসলে বৈশ্বিক ফরম্যাট বিগ ব্রাদার–এর ভারতীয় সংস্করণ, যার স্বত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠান বানিজয় এন্টারটেইনমেন্ট। ১৯৯৯ সালে যাত্রা শুরু করা এই ফরম্যাটটি বর্তমানে বিশ্বের ২৭টি অঞ্চলে পরিচালিত হচ্ছে। বিভিন্ন দেশে এর ৭০টিরও বেশি সংস্করণ বিদ্যমান আছে এবং সম্প্রচারিত হয়েছে ৬০০–রও বেশি মৌসুম।

এই শোর ঘোষণা দেওয়া হয় সৌরভ গাঙ্গুলি আয়োজিত একটি জমকালো ক্রিকেট ম্যাচের অনুষ্ঠানে। সন্ধ্যার আয়োজনের শেষপর্বে বিশেষ আলো ও শব্দের বর্ণিল প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে উন্মোচন করা হয় বিগ বস বাংলার লোগো।
সৌরভ গাঙ্গুলি নিজেও মনে করেন, এই ফরম্যাটটি বাংলার তর্ক-বিতর্ক ও প্রাণবন্ত আলোচনার সংস্কৃতির সঙ্গে স্বাভাবিকভাবেই মানিয়ে যায়। তিনি বলেন, “বিগ বস’ এমন একটি ফরম্যাট, যেখানে শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব, স্পষ্ট মতামত এবং আকর্ষণীয় আলোচনাই মূল চালিকাশক্তি—আর এই গুণগুলো বাংলার সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলের গভীরেই প্রোথিত।”
সাবেক এই ক্রিকেট অধিনায়ক আরও জানান, স্টার জলসার সঙ্গে কাজ করতে পেরে তিনি আনন্দিত। তার আশা, নতুন মৌসুমে বিগ বস বাংলা’ রাজ্যের আবেগ, উদ্দীপনা এবং স্বতন্ত্র পরিচয়কে সুন্দরভাবে তুলে ধরতে পারবে।
তার বিশ্বাস, এই অনুষ্ঠান দর্শকদের মধ্যে নতুন আলোচনা তৈরি করবে, ব্যক্তিত্বের বৈচিত্র্যকে উদযাপন করবে এবং পুরো মৌসুম জুড়ে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখবে।


