Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৬
সুলতান আহমেদ মসজিদ

সুলতান আহমেদ মসজিদ (Blue Mosque) এর ইতিহাস 

সুলতান আহমেদ মসজিদ ……..

ইস্তাম্বুল শহরের আকাশরেখায় যে স্থাপনাটি নীলাভ গম্বুজ আর সুউচ্চ মিনারের ভঙ্গিতে আলাদা করে চোখে পড়ে, সেটিই সুলতান আহমেদ মসজিদ , যা বিশ্বজুড়ে “ব্লু মসজিদ” নামে বেশি পরিচিত। অটোমান সাম্রাজ্যের সুলতান প্রথম আহমেদের উদ্যোগে ১৬০৯ সালে এর নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ১৬১৬ সালে তা সম্পন্ন হয়। সে সময় অটোমানরা রাজনৈতিক ও সামরিকভাবে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে ছিল। ইতিহাসবিদদের মতে, এই মসজিদ নির্মাণের মাধ্যমে সুলতান সাম্রাজ্যের শক্তি ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের মর্যাদা পুনরুদ্ধারের এক প্রতীকী বার্তা দিতে চেয়েছিলেন।

মসজিদের নকশা প্রণয়ন করেন স্থপতি সেদেফকার মেহমেদ আগা, যিনি বিখ্যাত স্থপতি মিমার সিনানের শিষ্য ছিলেন। স্থাপত্যে অটোমান ধাঁচের পাশাপাশি বাইজেন্টাইন প্রভাবও স্পষ্ট, বিশেষ করে গম্বুজ বিন্যাসে। ভেতরের দেয়ালে ব্যবহৃত নীল রঙের ইজনিক টাইলস থেকেই “ব্লু মসজিদ” নামের উৎপত্তি। সূর্যের আলো জানালা দিয়ে ভেতরে ঢুকলে সেই নীল টাইলসের ওপর প্রতিফলিত হয়ে এক ধরনের শান্ত, আধ্যাত্মিক আবহ তৈরি করে।

এই মসজিদের একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর ছয়টি মিনার। সে সময় মক্কার মসজিদে হারামেও ছয়টি মিনার ছিল, ফলে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। পরবর্তীতে মক্কায় আরেকটি মিনার যুক্ত করা হলে সেই বিতর্কের অবসান ঘটে।

আজ সুলতান আহমেদ মসজিদ শুধু ইবাদতের স্থান নয়, বরং তুরস্কের ইতিহাস, শিল্প ও সংস্কৃতির এক অনন্য নিদর্শন। প্রতিদিন অসংখ্য পর্যটক এখানে আসেন, কেউ ইতিহাস জানতে, কেউ স্থাপত্যের সৌন্দর্য দেখতে, আবার কেউ নীরবে কিছুক্ষণ বসে মনকে শান্ত করতে।

+ posts
Share this article
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

মাহে রমজান- আত্মশুদ্ধি, সংযম ও মানবতার মাস

রমজান মাস বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান মাস (চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল)। রমজানের…
মাহে রমজান
0
Share