Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
বুধবার, জানুয়ারি ২১, ২০২৬

ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন শাকিব খান

ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে শোক
ইলিয়াস জাভেদ ও শাকিব খান | কোলাজ

জাভেদের মৃত্যুতে শাকিব খান

আজ বুধবার বাংলা সিনেমার সোনালি যুগের জনপ্রিয় অভিনেতা ও নৃত্যপরিচালক ইলিয়াস জাভেদ মারা গেছেন। বরেণ্য এই চিত্রনায়কের মৃত্যুতে শোক নেমে এসেছে দেশের শোবিজ অঙ্গনে। সামাজিক মাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন দেশের তারকারা। ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন শাকিব খানও।

আজ বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ঢাকার উত্তরার একটি হাসপাতালে মারা যান জাভেদ। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ঢাকাই সিনেমার মেগাস্টার শাকিব খান।

ইলিয়াস জাভেদের মৃত্যুতে শোক
শাকিব খান | শিল্পীর ফেসবুক থেকে

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ’চলে গেলেন চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি অভিনেতা ও নৃত্যপরিচালক, শ্রদ্ধেয় ইলিয়াস জাভেদ। তাঁর প্রয়াণে আমরা হারালাম শুধু একজন শিল্পীকে নয়, হারালাম একজন অভিভাবকতুল্য মানুষকেও। তিনি আমাদের মাঝ থেকে বিদায় নিলেও পর্দায় ও শিল্পাঙ্গনে রেখে গেছেন অসংখ্য স্মৃতি ও অবদান, যা তাঁকে প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বাঁচিয়ে রাখবে। তাঁর সৃষ্টিকর্ম ও অনুপ্রেরণা চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

১৯৬৪ সালে উর্দু চলচ্চিত্র ‘নয়ি জিন্দেগি’ দিয়ে নায়ক হিসেবে চলচ্চিত্রে আগমন ঘটে ইলিয়াস জাভেদের। তার আগে কায়সার পাশার পরিচালনায় উর্দু সিনেমা ‘মালান’–এ প্রথম নৃত্য পরিচালক হিসেবেও কাজ করেছিলেন তিনি। ১৯৬৬ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘পায়েল’ সিনেমা দিয়ে দর্শকমহলে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন তিনি। ওই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন শাবানা।

অভিনয়ের পাশাপাশি ইলিয়াস জাভেদ ছিলেন একজন গুণী নৃত্যপরিচালক। ইলিয়াস জাভেদের প্রকৃত নাম রাজা মোহাম্মদ ইলিয়াস। নৃত্য পরিচালনার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্র জগতে যাত্রা শুরু করলেও পরবর্তীতে নায়ক হিসেবে শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে ‘নিশান’ চলচ্চিত্রটি বিশেষভাবে স্মরণীয়।

ইলিয়াস জাভেদের সিনেমা যাত্রা

১৯৫০ সালে পাকিস্তানের পেশোয়ারে জন্মগ্রহণ করেন জাভেদ। বাবা চৌধুরী মোহাম্মদ আফজাল। মা আনোয়ারা বেগম। ৯ ভাই-বোনের মধ্যে জাভেদ ছিলেন সবার বড়। বাবা চাইতেন ছেলে ব্যবসা করুক। কিন্তু জাভেদের মন কেড়েছিল সিনেমা। নায়ক হওয়ার স্বপ্নে ছিলেন বিভোর। ওই স্বপ্ন বুকে নিয়েই একদিন ঘর ছাড়েন। বলে রাখা ভালো এর আগে পেশোয়ার থেকে পাঞ্জাবে থিতু হয় জাভেদেরর পরিবার। সেখানে তার সঙ্গে পরিচয় হয় সাধু মহারাজ নামের এক নাচের গুরুর। তার-ই হাত ধরে ১৯৬২ সালে চলে আসেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে (বর্তমানে বাংলাদেশ)।

ঢাকায় এসে জাভেদ ওঠেন পুরান ঢাকার সিদ্দিক বাজারে তার এক এক বোনের বাসায়। দেখতে রাজপুত্রের মতো ছিলেন জাভেদ। এই সৌন্দর্যই মুগ্ধ করে উত্তরার সুলতান চেয়ারম্যানকে। জাভেদকে নিয়ে তিনি ‘নায়ি জিন্দেগি’ নামের একটি উর্দু সিনেমায় লগ্নি করেন। নায়িকা ছিলেন নাসিমা খান। তবে সে ছবি আলোর মুখ দেখেনি।  

তবে ১৯৬৬ সালে ‘পায়েল’ নামের এক সিনেমায় নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। নায়িকা হিসেবে পান শাবানাকে। ওই ছবির নায়ক ছিলেন রাজ্জাকও। মুক্তির পর দর্শক লুফে নেন ছবিটি। নায়ক হিসেবে জাভেদেরও শক্ত হয় পায়ের তলার মাটি। এরপর থেকেই শুরু করেন সিনেমা যাত্রা।

+ posts
Share this article
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

বিবাহিত নারীদের জন্য ঐশ্বরিয়া রাইয়ের উপদেশ

ঐশ্বরিয়া রাইয়ের উপদেশ দাম্পত্য জীবন মানেই সব সময় রোমান্টিক মুহূর্ত কিংবা জাঁকজমকপূর্ণ সময় কাটবে এমনটা নাও…
বিবাহিত নারীদের জন্য ঐশ্বরিয়া রাইয়ের উপদেশ

বউকে ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন অভিনেতা

হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের বিয়ে এবার ভারতের এক অভিনেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে যে বউকে ডিভোর্স না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে…
বউকে ডিভোর্স না দিয়েই

চঞ্চল-পরীমনি জুটির সিনেমা ‘শাস্তি’ র আনুষ্ঠানিক ঘোষণা

চঞ্চল-পরীমনি জুটির সিনেমা এ বছর বাংলাদেশ থেকে অস্কারে যাচ্ছে সিনেমা ‘বাড়ির নাম শাহানা’। সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন…
চঞ্চল-পরীমনি জুটির সিনেমা

আলমগীর কবিরের জীবন-ফিদেল ক্যাস্ট্রোর সাক্ষাৎ থেকে ফেরি দুর্ঘটনা   

আলমগীর কবিরের জীবন আজ বাংলাদেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনের পথিকৃৎ এবং আধুনিক চলচ্চিত্রের জনক আলমগীর কবিরের…
আলমগীর কবিরের জীবন
0
Share