আইনি জটিলতায় আবারও তানজিন তিশা। শাড়িকাণ্ডের বিতর্ক থামতে না থামতেই এবার মানহানির মামলার মুখোমুখি হলেন ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। মামলাটি তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনে (পিবিআই)।
আজ রোববার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামালউদ্দীনের ২৩ নম্বর আদালতে মামলাটি করেন ফ্যাশন ডিজাইনার সানায়া আনাম ওয়াফিকা চৌধুরী। দণ্ডবিধির ৫০০ ও ৫০১ ধারায় করা সি.আর মামলাটির নম্বর ১৩৭১।
বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শুভ্র সিনহা রায় মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তাঁর ভাষ্য, সামাজিক মাধ্যমে আপত্তিকর ছবি প্রকাশ ও ভুল তথ্য ছড়িয়ে বাদীর মানহানি করা হয়েছে বলেই এই মামলা।
এর আগে গত ২৮ অক্টোবর তিশাকে আইনি নোটিশ পাঠান সানায়ার পক্ষের আইনজীবী। নোটিশে বলা হয়, দুই দিনের মধ্যে তিশার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে বাদীর সব ছবি ও লেখা সরাতে হবে, ভবিষ্যতে তাঁর ছবি প্রকাশ করা যাবে না।
কেন আইনি জটিলতায় তানজিন তিশা
নোটিশে অভিযোগ করা হয়, ২৭ অক্টোবর তিশা তাঁর ফেসবুক পেজ থেকে বাদীর বিরুদ্ধে আপত্তিকর ছবি ও ভুল তথ্য ছড়ান। ছবিতে থাকা অন্য এক নারীকে বাদীর বোন হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, অথচ তাঁরা বোন নন; একজন ফ্যাশন ডিজাইনার, অন্যজন নারী উদ্যোক্তা।

নোটিশে আরও বলা হয়, তিশার পোস্টে দুই অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুর ছবিও অনুমতি ছাড়া প্রকাশ করা হয়েছে, যা সাইবার সুরক্ষা আইন ২০২৩-এর লঙ্ঘন। মেসেঞ্জারে ছবি ভাইরাল করার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও তোলা হয় সেখানে।
এই বিতর্কের শুরু ৭৫ হাজার টাকার একটি শাড়ি নিয়ে। শাড়িকাণ্ডে তিশার বিরুদ্ধে ঢাকার সিএমএম আদালত ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দুটি মামলা ইতিমধ্যে চলমান। এর মধ্যে গত ২৬ অক্টোবর মামলা তুলে নিতে হুমকি দেওয়ার অভিযোগে আরেকটি মামলা করেন সানায়া।

এর আগে গতকাল তিশা ও অভিনেত্রী সামিয়া অথৈয়ের সদস্যপদ স্থগিতের ঘটনাও ঘটেছে। নতুন এই মানহানির মামলা নিয়ে তিশার পক্ষ থেকে এখনো কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।






