Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ২, ২০২৬

ভূমিকম্পে যারা প্রাণ হারিয়েছেন – তারকাদের করুণ পরিণতি

ভূমিকম্পে যারা প্রাণ হারিয়েছেন
ভূমিকম্পে যারা প্রাণ হারিয়েছেন

ভূমিকম্পে যেসব তারকা আর নেই

একটি ভূমিকম্প মাত্র কয়েক মুহূর্তের ঘটনা কিন্তু তার আঘাত ছড়িয়ে পড়ে অসংখ্য জীবনের ওপর। ধ্বংসস্তূপ শুধু শহরকেই ভেঙে দেয় না, ভেঙে দেয় শিল্প-সংস্কৃতির রঙিন পৃথিবীকেও। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিকম্পে হারিয়ে গেছেন বহু প্রিয় তারকা যাদের প্রতিভা ছুঁয়ে গিয়েছিল লাখো ভক্তের হৃদয়। ভূমিকম্পে যারা প্রাণ হারিয়েছেন । কোন কোন সেলিব্রিটি এই মর্মান্তিক দুর্যোগে জীবন হারিয়েছেন এবং তাদের শেষ মুহূর্তের গল্প জানুন বিস্তারিত। আজকের প্রতিবেদনে ফিরে দেখা সেই শিল্পীদের শেষ মুহূর্ত ও তাদের অমর হয়ে ওঠা গল্প।

তুরস্ক

২০২৩ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি তুরস্ক সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে প্রাণ হারান জনপ্রিয় সিরিজ ‘কুরুলুস উসমান’এর অভিনেতা জাগদুশ জানকায়া ও তাঁর স্ত্রী, খ্যাতনামা সংগীতশিল্পী জিলান টাইগ্রিস।একই দুর্যোগে মারা যান তুর্কি অভিনেত্রী এমেল আতিচি এবং তাঁর আট বছরের শিশু কন্যা।

ভূমিকম্পে যারা প্রাণ হারিয়েছেন
তুরস্ক সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে প্রাণ হারান জনপ্রিয় সিরিজ ‘কুরুলুস উসমান’এর অভিনেতা জাগদুশ জানকায়া ও তাঁর স্ত্রী

চীন

তুরস্কের নাগরিক হলেও চীনে বিপুল জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন টিভি ব্যক্তিত্ব ইদ্রিস তালহা কার্তাভ যিনি দর্শকের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘তাং শিয়াওকিয়াং’ নামে। জনপ্রিয় শো ‘ইনফরমাল টকস’ এর নিয়মিত মুখ ছিলেন তিনি। ২০২৩ সালের এক ভূমিকম্পে তাকে হারায় দুই দেশের ভক্তই।

মেক্সিকো

১৯৮৫ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর মেক্সিকো সিটির বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রাণ হারান কিংবদন্তি ফোক রক সংগীতশিল্পী রড্রিগো গঞ্জালেজ । সমাজ, রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের সংগ্রাম তাঁর গানের প্রধান বিষয় ছিল। ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় তিনি ছিলেন জুয়ারেজ কলোনির একটি অ্যাপার্টমেন্টে সেখানেই শেষ হয় এক প্রজন্মকে প্রভাবিত করা শিল্পীর জীবন।

ভূমিকম্পে যারা প্রাণ হারিয়েছেন
মেক্সিকো সিটির বিধ্বংসী ভূমিকম্পে প্রাণ হারান কিংবদন্তি ফোক রক সংগীতশিল্পী রড্রিগো গঞ্জালেজ

ইরান

২০০৩ সালের বাম ভূমিকম্প কেড়ে নেয় ইরানের খ্যাতনামা শাস্ত্রীয় সংগীতশিল্পী ইরাজ বাস্তামির জীবন। মাত্র ৪৬ বছর বয়সে থেমে যায় তাঁর স্বতন্ত্র কণ্ঠে গড়ে ওঠা সুরের ধারা। ফার্সি সংগীত জগতে তিনি ছিলেন এক উজ্জ্বল ও অমূল্য সম্পদ।

প্রকৃতির প্রতিটি হঠাৎ আঘাত শুধু শহর গ্রাম ভেঙে দেয় না, ছিন্নভিন্ন করে দেয় শিল্প সংস্কৃতির জগতও। তবে শিল্পীদের স্মৃতি ও সৃষ্টিকর্মই তাদের অমর করে রাখে প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে।

Website |  + posts
Share this article
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

এপ্রিলে ওটিটিতে সাত বিদেশি সিনেমা ও সিরিজ মুক্তির অপেক্ষায়   

ওটিটিতে মুক্তি পাচ্ছে সাত সিনেমা-সিরিজ চলমান এপ্রিল মাসে ওটিটিতে মুক্তির অপেক্ষায় আছে বেশ কয়েকটি নতুন সিনেমা ও…
এপ্রিলে ওটিটিতে সাত বিদেশি সিনেমা-সিরিজ
0
Share