থালাপতি বিজয়
দক্ষিণী অভিনেতা থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা ‘জন নায়াগান’–এর মুক্তি এখনো হয়নি। ৯ জানুয়ারি ছবিটি মুক্তির কথা থাকলেও সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে সেন্সর সার্টিফিকেট পায়নি সিনেমাটি। তবে বিজয় কোনো চাপের কাছেই মাথা নত করবেন না বলে জানিয়েছেন। রোববার তামিলনাড়ুর মহাবালিপুরমে রাজ্য ও জেলা স্তরের নির্বাহী ক্যাডারদের সাথের পরামর্শ সভায় তিনি এ কথা বলেন।

বিজয়ের অভিনীত শেষ ছবি ‘জন নায়াগান’ এখনো সিবিএফসি থেকে ছাড়পত্র পায়নি। সিনেমাটির মুক্তির বিষয়ে হওয়া মামলায় ২৭ জানুয়ারি হাইকোর্টের রায় ঘোষণার কথা রয়েছে। এই রায় আসন্ন তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ‘জন নায়াগান’ মুক্তি পেলে তা তামিলনাড়ুর রাজনৈতিক সমীকরণেও প্রভাব ফেলতে পারে।
এদিকে গত সেপ্টেম্বরে বিজয়ের দল কারুরে তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম- এর (টিভিকে) দলের সমাবেশে পদদলনের ঘটনা ঘটে। তাতে অনেক লোক মারা যায়। এ নিয়ে ভারতের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা-সিবিআই তাকে দুবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। এত সব চাপ ও তদন্তের মধ্যেও রোববারের সভায় বিজয়কে দৃঢ় ও আত্মবিশ্বাসী হিসেবেই দেখা গেছে।
বিজয় কোনো চাপের কাছেই মাথা নত করবে না
সভায় আসন্ন নির্বাচনকে ‘গণতান্ত্রিক যুদ্ধ’ হিসেবে বর্ণনা করেন বিজয়। একই সঙ্গে রাজনৈতিক ময়দানে নিজের দলের স্বাধীন অবস্থান বজায় রাখার অঙ্গীকার করেন তিনি। বিজয়ের ভাষায়, ‘আমরা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করি না। এই মুখটাকে কি দেখে মনে হয়, চাপের কাছে নত হবে?’ এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি স্পষ্ট করে দেন, অন্য রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জোট না করেই নির্বাচনে লড়াই করতে চান তিনি।
সভায় বিজয় আনুষ্ঠানিকভাবে তার দলের প্রতীক উন্মোচন করেন। তার দলের প্রতীক—একটি শিস। প্রতীক উন্মোচনের মুহূর্তে সমর্থকেরা জোরে জোরে শিস বাজিয়ে তাঁকে অভ্যর্থনা জানান। ভিড়ের উচ্ছ্বাসে মুগ্ধ হয়ে বিজয় হাসতে হাসতে কান ঢেকে ফেলেন। পরে তিনি নিজেও শিস বাজিয়ে উপস্থিত কর্মীদের মধ্যে আবেগের সঞ্চার করেন।

সভায় বিজয় সিনেমা থেকে রাজনীতিতে আসার পথচলার কথাও তুলে ধরেন। প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘৩০ বছর ধরে এই দলগুলো আমাদের ছোট করে দেখেছে। কিন্তু আমার ক্যারিয়ারের শীর্ষ সময়ে জনগণই আমাকে এই অবস্থানে নিয়ে এসেছে।’


