মধ্যপ্রাচ্যে নিষিদ্ধ সিনেমা ‘ধুরন্ধর’
ডিসেম্বরের ৫ তারিখে মুক্তি পায় রনবীর সিং অভিনীত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’। সিনেমাটির পরিচালনা করেছেন আদিত্য ধর। মুক্তির পর থেকেই সিনেমাটি বক্স অফিসে রীতিমত ঝড় তুলেছে। ইতোমধ্যে সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী আয় করেছে ৩০০ কোটি রুপিরও অধিক। তবে ছবিটি নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্কও। যার কারণে রনবীরের ‘ধুরন্ধর’ ছয় দেশে নিষিদ্ধ হয়েছে ।
মধ্যপ্রাচ্যের ছয়টি দেশে প্রদর্শনী নিষিদ্ধ হয়েছে ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার। যার কারণে বাহরাইন, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে মুক্তি পায়নি সিনেমাটি। ছবিটি নিষিদ্ধের কারণ হিসেবে জানা গেছে, ছবিটিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বার্তা থাকার কারণে উক্ত দেশগুলোর কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দেয়নি। তবে এ নিয়ে কোন আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেয়নি দেশগুলো।

সিনেমার প্রযোজনা সংস্থার একটি সূত্র জানায়, তারা মধ্যপ্রাচ্যে সিনেমাটি মুক্তির জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কারণ, এই অঞ্চলে প্রচুর প্রবাসী ভারতীয় থাকেন। মধ্যপ্রাচ্য হিন্দি সিনেমার বড় বাজার। কিন্তু অনেকভাবে মুক্তির চেষ্টা করা হলেও কোনো দেশই ছাড় দেয়নি। এর ফলে ‘ধুরন্ধর’–এর মুক্তি ওই অঞ্চলে সম্ভব হয়নি।
তবে এই ঘটনা এর আগেও ঘটেছে। এর আগে সিনেমা ‘ফাইটার’, ‘স্কাই ফোর্স’, ‘দ্য ডিপ্লোম্যাট’, ‘আর্টিকেল ৩৭০’, ‘টাইগার ৩’, ‘দ্য কাশ্মীর ফাইলস’ মধ্যপ্রাচ্যে মুক্তি পায়নি। পরে কয়েকটি দেশ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নিলে মুক্তি দেয়া সম্ভব হয়। ‘ফাইটার’ সংযুক্ত আরব আমিরাতে মুক্তি পেয়েছিল নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরে।
নির্মাতা আদিত্য ধর ‘ধুরন্ধর’ এর আগে নির্মান করেছিলেন ‘উরি: দ্য সার্জিক্যাল অ্যাটাক’। এই সিনেমা মুক্তির ছয় বছর পর আদিত্য ধর ফিরেছেন ‘ধুরন্ধর’ নিয়ে।
ছবিটি মূলত ১৯৯৯ সালে কান্দাহারে একটি বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনা দিয়ে শুরু। সিনেমায় আছে ভারতের পার্লামেন্ট ভবন ও মুম্বাই হামলাও। সব মিলিয়ে দেখানো হয়, পাকিস্তানের মদদে বিভিন্ন সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ভারতে হামলা চালাচ্ছে। এরপরেই দেখা যাবে এক ভারতীয় গুপ্তচরের পাকিস্তানের ভেতরে গিয়ে দুঃসাহসী অভিযানের গল্প।
সিনেমাটিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রণবীর সিং। আরো আছেন সঞ্জয় দত্ত, অক্ষয় খান্না, অর্জুন রামপাল, আর মাধবন, সারা অর্জুনসহ অনেকে।