সুস্থ ধারার ছবিকে উৎসাহিত করতেই হলে প্রধানমন্ত্রী
রাজধানীর ধানমন্ডির প্রেক্ষাগৃহে ‘প্রজেক্ট হেইল মেরি’ দেখলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তাঁর সঙ্গে ছিলেন মেয়ে জাইমা রহমান। শুক্রবার সন্ধ্যায় তারা সীমান্ত সম্ভার সিনেমা হলে সিনেমাটি উপভোগ করেন। প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে সাধারণ দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয় বাড়তি আগ্রহ। সিনেমা হলেও ছড়িয়ে পড়ে উচ্ছ্বাস।

মেয়েকে নিয়ে সিনেমা হলে প্রধানমন্ত্রীর সিনেমা দেখার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ছুটির দিনে বিনোদনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখতে আসেন। সন্ধ্যা ৭টা ১০ মিনিটে শো শুরু হয়ে শেষ হয়েছে রাত ১০টা ১০ মিনিটে।
নির্মাতা ও শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করাই উদ্দেশ্য
দলীয় সূত্র জানায়, সুস্থ ধারার সিনেমা ও সংস্কৃতিকে উৎসাহ দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, এর মাধ্যমে নির্মাতা ও শিল্পীরা আরও অনুপ্রাণিত হবেন। সিনেমা হলে তারেক রহমানের উপস্থিতি অনেকের কাছে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে ধরা দিয়েছে।

প্রজেক্ট হেইল মেরি সিনেমার গল্প
পৃথিবী ধ্বংসের মুখে, এমন এক সময়ের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রজেক্ট হেইল মেরি । সূর্যের আলো কমে যাওয়ায় পৃথিবীতে নেমে আসে ভয়াবহ বিপর্যয়। তখন এক সাধারণ বিজ্ঞান শিক্ষককে পাঠানো হয় মহাকাশে, মানবজাতিকে বাঁচানোর মিশনে।
জনপ্রিয় উপন্যাস থেকে নির্মাণ
এই সিনেমাটি জনপ্রিয় লেখক অ্যান্ডি উইয়ারের উপন্যাস থেকে নির্মিত। পরিচালনা করেছেন ফিল লর্ড এবং ক্রিস্টোফার মিলার। মুক্তির পর থেকেই এটি দর্শকদের নজর কাড়ছে।

মহাকাশে একা এক লড়াই
রাইল্যান্ড গ্রেস চরিত্রে অভিনয় করেছেন রায়ান গসলিং । তিনি মহাকাশযানে জেগে উঠে নিজের অতীত ভুলে যান। পরে বুঝতে পারেন, তিনি একাই বেঁচে আছেন। সূর্যকে রক্ষা করাই তার মূল দায়িত্ব।
ভিনগ্রহীর সঙ্গে বন্ধুত্ব
এই সিনেমার আবেগঘন দিক হলো এক ভিনগ্রহী প্রাণী ‘রকি’র সঙ্গে বন্ধুত্ব। ধীরে ধীরে তাদের মধ্যে বোঝাপড়া তৈরি হয়। তারা একসঙ্গে কাজ করে বাঁচার পথ খোঁজে। এই সম্পর্ক দর্শকদের গভীরভাবে স্পর্শ করে।
অভিনয় ও নির্মাণে প্রশংসা
রায়ান গসলিং -এর অভিনয় প্রশংসিত হয়েছে। পাশাপাশি সান্ড্রা হুলারের, ড্যানিয়েল পেমবার্টন ও গ্রেইগ ফ্রেজারের -এর কাজ সিনেমাটিকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
