মাইকেল বি. জর্ডান
জীবনে প্রথমবারের মতো অস্কার জিতলেন অভিনেতামাইকেল বাকারি জর্ডান। সিনার্স সিনেমায় দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করে এই পুরস্কার জিতেছেন তিনি। এখন স্বভাবতই প্রশ্ন উঠছে, কে এই অস্কারজয়ী মাইকেল বি. জর্ডান?
মাইকেল বাকারি জর্ডান একজন মার্কিন অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক। অভিনয়জীবনে তিনি বহু গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননা অর্জন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে সদ্য পাওয়া একটি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড তথা অস্কার, তিনটি অ্যাক্টর অ্যাওয়ার্ড এবং একটি প্রডিউসার্স গিল্ড অ্যাওয়ার্ড। এছাড়া তিনি একটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড ও দুটি এমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়নও পেয়েছেন।

চলচ্চিত্র জগতে মাইকেল বি. জর্ডানের প্রভাবের কারণে ২০২০ এবং ২০২৩ সালের টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছিলেন। এছাড়াও, পিপিল ম্যাগাজিন ২০২৩ সালে তাকে “সেক্সিয়েস্ট ম্যান অ্যালাইভ” ঘোষণা করেছে। উপরন্তু, দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস তাকে ২১শ শতাব্দীর ২৫ জন সেরা অভিনেতার তালিকায় ১৫তম স্থান দিয়েছে।
মাইকেল বি. জর্ডানের জন্ম ও বেড়ে উঠা
মাইকেল বি. জর্ডান ৯ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৭ সালে ক্যালিফোর্নিয়ার সান্তা আনা শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা, মাইকেল এ. জর্ডান, একটি ক্যাটারিং ব্যবসার মালিক ছিলেন এবং তাঁর মা, ডোনা জর্ডান, একজন গাইডেন্স কাউন্সেলর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। যখন জর্ডান ২ বছর বয়সী, তার পরিবার নি’য়ার্ক, নিউ জার্সিতে চলে আসে, যেখানে তিনি তার বাকি শৈশবকাল কাটান। জামিলা নামে তাঁর একটি বড় বোন, এবং খালিদ নামে একটি ছোট ভাই আছে।
এই অভিনেতা একটি গ্যাং এবং মাদক সমস্যা দ্বারা আচ্ছন্ন “কঠিন পরিবেশ”-এ বেড়ে উঠেছেন। তবু তাঁর পথ ছিলো আলাদাই। ১১ বছর বয়সে তিনি বিনোদন জগতে প্রবেশ করেন একজন শিশুমডেল হিসেবে। তাঁর মায়ের ডাক্তার অফিসের একজন রিসেপশনিস্টের উৎসাহে তিনি ‘টয়স আর আস’ ও ‘মডেলস স্পোর্টিং গুডস’-এর স্থানীয় বিজ্ঞাপনে অংশ নিতে শুরু করেন।

এর পাশাপাশি, তিনি বিজ্ঞাপন ও টেলিভিশন শো-এর জন্য অডিশন দিতে শুরু করেন। তাঁর প্রথম বড় সুযোগ আসে ১৯৯৯ সালে, যখন তিনি কসবি (বিল কসবির সিটকম) এবং দ্য সোপ্রানোস (জেমস গানডলফিনির অভিনীত) শোতে দুটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করেন। দুই বছর পর, ১৪ বছর বয়সে, উচ্চ বিদ্যালয়ে নতুন অধ্যায় শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর অভিনয় জীবনেরও বদল ঘটে। তিনি নিউয়ার্ক আর্টস হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন, যেখানে তিনি বাস্কেটবল খেলতেন এবং ২০০৫ সালে স্নাতক সনদ লাভ করেন।
চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন শো
মাইকেল বি. জর্ডান ২০০১ সাল থেকে হলিউডে ধারাবাহিকভাবে কাজ করছেন। তাঁর ক্যারিয়ারের প্রথমদিকে বেশিরভাগ সময় তিনি টেলিভিশন শোতে কাজ করেছেন, তবে চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তিনি। তাঁর প্রথম প্রধান চলচ্চিত্র চরিত্র ছিল ২০০১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘হার্ডবল’ সিনেমায়।
এই চলচ্চিত্রে কিয়ানু রিভস এবং ডায়ান লেন অভিনয় করেছেন। সিনেমাটি একটি শহরের যুবক বেসবল দলের গল্প নিয়ে নির্মিত। জর্ডান এখানে জামাল চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি দলের সবচেয়ে বয়স্ক শিশু। তাঁর এই পারফরম্যান্স তাঁকে একজন তরুণ অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি এনে দেয়।
দ্য ওয়্যার এবং অল মাই চিলড্রেন
২০০২ সালে মাইকেল বি. জর্ডান এইচবিও-এর ক্রাইম ড্রামা সিরিজ ‘দ্য ওয়্যার’-এ একটি পুনরাবৃত্ত চরিত্রে অভিনয় করেন। যদিও এই আইকনিক শো-তে তাঁর সময় কেবল এক মৌসুমই ছিল, তবে তাঁর যত্নশীল ও মৃদুভাষী চমৎকার অভিনয় পরবর্তী ধারাবাহিক টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রের কাজ খুঁজে পেতে বেশ সাহায্য করেছে। বলা যায় শুরু।

এ নিয়ে জর্ডান ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে জিকিউ ম্যাগাজিনকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “শো থেকে চরিত্রটি শেষ করে ফেলার সময় আমি অবশ্য ‘ভেঙে পড়েছিলাম’, কিন্তু এই ভূমিকা আমার ক্যারিয়ারের জন্য ‘পথ প্রশস্ত করেছিল’। যখন আমি অডিশনে যেতাম, কাস্টিং ডিরেক্টর, এক্সিকিউটিভ ও প্রযোজকরা সবাই সেই শোটি দেখত এবং খুব পছন্দ করত। তাই পরের প্রকল্পগুলোতে আমাকে অনেক প্রাধান্য দেয়া হতো।”
২০০৩–২০০৬: অল মাই চিলড্রেন
২০০৩ সালে মাইকেল বি. জর্ডান অল মাই চিলড্রেন সোপ অপেরার নিয়মিত কাস্ট সদস্য হিসেবে যুক্ত হন। তিন বছর এই শোতে থাকার সময়, তিনি তিনটি এনএএসিপি ইমেজ অ্যাওয়ার্ড পান—ডে টাইম ড্রামা সিরিজে সেরা অভিনেতা হিসেবে। এছাড়া, তিনি সোপ অপেরা ডাইজেস্ট অ্যাওয়ার্ড-এর জন্য ফেভারিট টিন ক্যাটেগরিতে মনোনয়নও পান।
২০০৬ সালে শো থেকে বের হওয়ার পর, জর্ডান তার কর্মজীবন সক্রিয় রাখেন। তিনি ২০০৭ সালের ইন্ডি চলচ্চিত্র ব্ল্যাকআউট-এ একটি ভূমিকা পান এবং ল অব অর্ডার: ক্রিমিনাল ইন্টেন্ট, সিএসআই, কল্ড কেইস সহ একাধিক টেলিভিশন শোতেও দেখা যায়।
২০০৯: ফ্রাইডে নাইট লাইটস
জর্ডানের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ আসে ২০০৯ সালে, যখন তিনি এমি জয়ী সিরিজ ‘ফ্রাইডে নাইট লাইটস’-এ স্টার কোয়ার্টারব্যাক ভিন্স হাওয়ার্ডের চরিত্রে অভিনয় করেন। তাঁর অভিনয় দর্শকদের মুগ্ধ করে এবং সমালোচকদের নজরে আসেন তিনি।
এরপর, তিনি টিভি সিরিজ প্যারেন্টহুড-এ পুনরাবৃত্ত চরিত্রে অভিনয় করেন। ২০১০–২০১১ সালের মধ্যে তিনি হ্যাডি ব্র্যাভারম্যানের কিশোরপ্রেমের চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর তিনি ২০১২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ভিত্তিক রেড টেইলস এবং সুপারহিরো চলচ্চিত্র দ্য ক্রনিকল-এ অভিনয় করেন।
২০১৩: ফ্রুটভেল স্টেশন
২০১৩ সালে পরিণত মাইকেলকে খুঁজে পাওয়া যায়। রায়ান কুগলার পরিচালিত ফ্রুটভেল স্টেশন-এ জর্ডানের অভিনয় সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করে। সত্যিকারের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে নির্মিত এই চলচ্চিত্রে তিনি ২২ বছর বয়সী কালো যুবক অস্কার গ্রান্টের চরিত্রে অভিনয় করেন, যাকে পুলিশ ক্যালিফোর্নিয়ার ওকল্যান্ডের ট্রেন স্টেশনে হত্যা করে।
এই সিনেমায় তার প্রভাবশালী অভিনয়ের জন্য তিনি ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্পিরিট অ্যাওয়ার্ড-এর সেরা পুরুষ প্রধান চরিত্রে মনোনীত হন।

২০১৪–২০১৫: হলিউডে প্রতিষ্ঠাপ্রাপ্তি
এরপর, জর্ডান জ্যাক এফরনের সঙ্গে ২০১৪ সালের কমেডি দ্য্যাট অবওয়ার্ড মোমেন্ট-এ অভিনয় করেন এবং ২০১৫ সালে ফ্যান্টাস্টিক ফোর-এ হিউম্যান টর্চ চরিত্রে অভিনয় করেন।
২০১৫ সালের শেষ দিকে, তিনি পুনরায় পরিচালক রায়ান কুগলারের সঙ্গে ক্রীড-এ কাজ করেন, যা সিলভেস্টার স্ট্যালোনের দীর্ঘমেয়াদী রকি ফ্র্যাঞ্চাইজের নতুন অধ্যায়। এখানে তিনি রকির প্রয়াত বন্ধু এবং প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাপোলো ক্রীডের অজানা ছেলে অ্যাডোনিস জনসনের চরিত্রে অভিনয় করেন। নতুন এই চরিত্রে জর্ডান পুরো এক বছর ধরে শক্তিশালী প্রশিক্ষণ নেন, বক্সারদের সঙ্গে অনুশীলন করেন এবং কঠোর ডায়েটে থাকেন।
চলচ্চিত্র মুক্তির পরই অস্কারের আলোচনা শুরু হয় এবং জর্ডানের হলিউডে তারকা হিসেবে অবস্থান দৃঢ় হয়। তিনি পরবর্তীতে তাঁর ক্যারিয়ার আরও প্রসারিত করার পরিকল্পনা করেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, “আমি অভিনেতা থেকে প্রযোজক হিসেবে পদক্ষেপ নিতে চাই, যেমন উইল স্মিথ।“
২০১৮ সালে জর্ডান ক্রীড টু-এ পুনরায় অ্যাডোনিস জনসনের চরিত্রে অভিনয় করেন, যেখানে তিনি ১৯৮৫ সালের রকি ফোর-এ অ্যাপোলো ক্রীডকে মারার পর রুশ বক্সার ইভান ড্রাগোর ছেলের সঙ্গে লড়াই করেন।
২০২৩ সালে জর্ডান আবারও অ্যাডোনিস চরিত্রে অভিনয় করেন এবং ক্রীড থ্রি পরিচালনায় অভিষেক করেন, যা তাঁর পরিচালনায় প্রথম এনএএসিপি ইমেজ অ্যাওয়ার্ড মনোনয়ন আনে। বর্তমানে, জর্ডান ক্রীড ফোর-এর অভিনেতা এবং পরিচালক হিসেবে কাজ করছেন, যার মুক্তির তারিখ এখনো ঠিক হয়নি।
ব্ল্যাক প্যান্থার
ক্রিড-এর সাফল্যের পর জর্ডানকে আরও বড় একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিতে-মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনিভার্সে নেওয়া হয় । তিনি সুপারহিরো চলচ্চিত্র ব্ল্যাক প্যান্থার-এ প্রধান খলনায়ক এরিক কিলমঙ্গার চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবিটির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন চ্যাডউইক বোসম্যান।
২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুক্তির পর ছবিটি দারুণ সাফল্য পায়। মুক্তির মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই এটি বিশ্বব্যাপী টিকিট বিক্রি থেকে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করে এবং মূলত কৃষ্ণাঙ্গ অভিনেতাদের নিয়ে নির্মিত চলচ্চিত্র বাজারজাত করার সীমাবদ্ধতা নিয়ে প্রচলিত অনেক ধারণা ভেঙে দেয়। বছর শেষে এটি বিশ্বব্যাপী দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আয় করা চলচ্চিত্র হিসেবে স্থান পায়।
পরবর্তীতে জর্ডান আবারও কিলমঙ্গার চরিত্রে কণ্ঠ দেন What If…? (২০২১)-এ। এছাড়া তিনি আবারও এই চরিত্রে উপস্থিত হন ২০২২ সালের সিক্যুয়েল ব্ল্যাক প্যান্থার: ওয়াকান্ডা ফরএভার-এ, যা বিশ্বব্যাপী বক্স অফিসে প্রায় ৮৬০ মিলিয়ন ডলার আয় করে।
জর্ডানের জাস্ট মার্সি
২০১৯ সালে মাইকেলকে দেখা যায় জাস্ট মার্সি-তে, যেখানে তিনি সিভিল রাইটস আইনজীবী ব্রায়ান স্টিভেনসনের চরিত্রে অভিনয় করেন। জেমি ফক্স এবং ব্রি লারসনের উল্লেখযোগ্য পারফরম্যান্সও চলচ্চিত্রটিতে স্থান পেয়েছে। ছবিটি সত্যিকারের কাহিনীর ওপর ভিত্তি করে নির্মিত।
এরপর জর্ডান টেলিভিশনে ফিরে আসেন। তিনি অ্যানিমেটেড সাই-ফাই সিরিজ জেন:লক-এ জুলিয়ান চেসের চরিত্রের কণ্ঠস্বর প্রদান করেন। জুলিয়ান একজন পাইলট, যার দেহের বেশিরভাগ অংশ অনুপস্থিত, এবং তাকে একটি বিশাল বর্ম পরীক্ষা করার জন্য নির্বাচিত করা হয়। এই সিরিজটি দুই মরসুম চলেছিল এবং ২০২১ সালে শেষ হয়।
জর্ডান রেইজিং ডায়ন নামের নেটফ্লিক্স সুপারহিরো সিরিজেও ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেন। এখানে তিনি ফ্ল্যাশব্যাকের মাধ্যমে প্রধান চরিত্রের মৃত প্রায় বাবা হিসেবে উপস্থিত হন।
উইদাউট রিমর্স এবং সিক্যুয়েল
২০২১ সালে জর্ডান উইদাউট রিমর্স-এ অভিনয় করেন, যা টম ক্ল্যান্সির একই নামের উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে নির্মিত। তিনি জন কেলি চরিত্রে অভিনয় করেন, একজন নেভি সিল যিনি গর্ভবতী স্ত্রীর হত্যার প্রতিশোধ নেন এবং একই সময়ে একটি আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত হন। চলচ্চিত্রের মোট গল্প সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করলেও, জর্ডানের অভিনয়কে প্রশংসা করা হয়। তিনি আসন্ন সিক্যুয়েল রেইনবো সিক্স-এ একই চরিত্রে পুনরায় অভিনয় করবেন।

২০২১ সালে জর্ডান অ্যান্থোলজি সিরিজ লাভ, ডেথ অ্যান্ড রোবটস-এর একটি এপিসোডে উপস্থিত হন এবং স্পেস জ্যাম: এ নিউ লেগ্যাসি-তে সংক্ষিপ্ত চরিত্রে অংশ নেন।
অস্কারজয়ী মাইকেল বি. জর্ডানের ‘সিনার্স’
জর্ডানের সর্বশেষ প্রকল্প সিনার্স। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে থিয়েটারে মুক্তি পায় সিনেমাটি। এই হরর চলচ্চিত্রটি তাঁর দীর্ঘদিনের সহকর্মী রায়ান কুগলার পরিচালিত। এতে জর্ডান দুটি যমজ ভাইয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন, যারা ১৯৩০-এর দশকের জিম ক্রো যুগের দক্ষিণাঞ্চলের তাদের শহরে ফিরে আসে এবং দেখেন যে তাদের সম্প্রদায় ভ্যাম্পায়ারদের দ্বারা দখল হয়ে গেছে। দুই চরিত্রকে আলাদা দেখানোর জন্য জর্ডান আলাদা শারীরিক ভঙ্গিমা তৈরি করেছেন, যেমন দাঁড়ানো এবং হাঁটার ভঙ্গি। আর এই সিনেমায় এই অসামান্য দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় দিয়েই প্রধান অভিনেতা বিভাগে প্রথমবারের মতো অস্কার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন মাইকেল বি. জর্ডান।


