Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
বুধবার, জানুয়ারি ২৮, ২০২৬

ডা. এজাজুল ইসলাম দারিদ্র্য ও সংগ্রামের গল্প সামনে আনলেন

ডা. এজাজুল ইসলাম দারিদ্র্য ও সংগ্রামের
ডা. এজাজুল ইসলাম

ডা. এজাজুল ইসলাম

দেশের জনপ্রিয় নাট্য ব্যক্তিত্ব ও জনপ্রিয় মুখ ডা. এজাজুল ইসলাম। পর্দায় হাসিখুশি দেখা গেলেও, বাস্তব জীবনে তারও রয়েছে সংগ্রামের গল্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ডা. এজাজুল ইসলাম দারিদ্র্য ও সংগ্রামের গল্প সামনে আনলেন ।

সম্প্রতি দেয়া ওই সাক্ষাৎকারে ডা. এজাজ জানান, তার শৈশবটা সচ্ছল ছিল না। মাসের প্রায় ১০-১২ দিনই সকালের নাস্তা হতো পান্তা ভাত। তিনি বলেন, ‘আগে তো পান্তা খেতাম এক গামলা। এতগুলি! এখন যেহেতু ডায়াবেটিস এতটুকু খাই। পান্তা কিন্তু এতটুকু খেয়ে আপনার কখনোই তৃপ্তি হবে না। কিছু খাবার আছে বেশি করে খেতে হয়। তো পান্তা খেতে হয় বেশি করে। তো বেশি পান্তা তো খেতে পারি না ডায়াবেটিসের জন্য। এখন অল্প করে মাঝে মধ্যে খাই।’

ডা. এজাজুল ইসলাম দারিদ্র্য ও সংগ্রামের
ডা. এজাজুল ইসলাম | ছবি: ফেসবুক

তিনি আরো বলেন, ‘এর বেশিরভাগ খাওয়াটাই হয় শুটিং স্পটে। বাসায় তো পান্তা আয়োজন করে কে আমাকে দিবে? কেউই তো খায় না। সুতরাং শুটিং স্পটে গেলে, যেমন কিছুদিন আগে আফজাল ভাইয়ের একটা কাজ করেছি, আমাদের লিজেন্ড আফজাল হোসেন উনার কাজে সকাল বেলা পান্তা খেতাম। কারণ সকালে সব নাস্তাই ছিল, পান্তাও ছিল। উনার কাজে আমি পান্তা খেয়েছি কয়েকদিন সকাল বেলা।’

ডা. এজাজুল ইসলামের দারিদ্র্য ও সংগ্রামের গল্পে পান্তা ও লবণ

তার কথায়, ‘ছোটবেলা পান্তা খেতাম ওই যে, যে যেটা খেয়ে অভ্যস্ত। আমরা তো এত বড় লোকের ছেলে ছিলাম না। মাসে প্রায় ১০-১২ দিন দেখা যেত যে সকাল বেলার নাস্তা পান্তা। তো যেহেতু ছোটবেলা পান্তা সকাল বেলা খেতে বাধ্য হয়েছি, খেতে খেতে তারপর মুখের কাছে এটা প্রিয় হয়ে গিয়েছে। আমার খেয়াল আছে সকাল বেলা পান্তা ভাত খেতাম, লবণের খুব অভাব ছিল তখন। লবণ পাওয়া যেত না। আমরা লবণ ছাড়া পান্তা খেতাম সকাল বেলার নাস্তা। এটা মনে আছে।’

তিনি আরও যোগ করে বলেন, ‘কাঁচামরিচ দিয়ে পান্তা মেখে, কাঁচা পেঁয়াজ দিয়ে পান্তা। আমার একটা প্রিয় খাবার। কিন্তু আপনি যদি আমাকে লবণ না দেন, তখন তো এটা অনেক খাওয়া না খাওয়ার সমান। তো মনে আছে তখন লবণ ছিল না, আমরা পান্তা খেতাম লবণ ছাড়া। খাবারের অভাব ছিল তখন অনেক।’

অভিনেতার ভাষ্যে, ‘আমার মনে আছে দাদি আম্মা তিন দিন পরপর গ্রামের একটা ছোট্ট বাজার হতো আমাদের। আমাকে এক টাকা করে দিতেন। এই এক টাকার সবজি কিনে আমাদের তিন দিন চলতো। আবার তিন দিন পরে এক টাকা। সেই সবজি কিনে আবার তিন দিন চলতো। এভাবে দিন গিয়েছে। আর যেহেতু নদীর পাড়ে বাড়ি ছিল, সুতরাং মাছের অভাবটা ছিল না। প্রচুর মাছ। তখন মাছ ধরতাম। আমার খেয়াল আছে।‘

+ posts
Share this article
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

এবারের বাফটায় কোন সিনেমা কতগুলো মনোনয়ন পেয়েছে?

বাফটা মনোনয়ন ২০২৬ সালের বাফটা (ব্রিটিশ একাডেমি ফিল্ম অ্যাওয়ার্ডস)–এর মনোনয়ন ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার…
এবারের বাফটায় কোন সিনেমা

সাফা কবির ‘মৎস্যকন্যা’ শুটিংয়ের গল্প শোনালেন

সাফা কবির ‘মৎস্যকন্যা’ সোমবার ২৬ জানুয়ারি কক্সবাজারে ‘মৎস্যকন্যা’ নাটকের শুটিং শেষ করে ঢাকায় ফিরেছেন অভিনেত্রী…
সাফা কবির ‘মৎস্যকন্যা’ শুটিংয়ের গল্প

‘এটা আমাদেরই গল্প’ এক বিরল রেকর্ড গড়েছে

ধারাবাহিক নাটক ‘এটা আমাদেরই গল্প’  রিলস আর একক নাটকের দুনিয়ায় ধারাবাহিক নাটক দিয়ে ব্যাপক বৈপ্লবিক কান্ড…
‘এটা আমাদেরই গল্প’ এক বিরল
0
Share