ধারাবাহিক ‘সানওয়াল ইয়ার পিয়া’
পাকিস্তানী ধারাবাহিক ‘সানওয়াল ইয়ার পিয়া’ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে ব্যাপক আলোচনা। ধারাবাহিকটির আলোচনার অন্যতম কারণ অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিম। সিরিজটিতে অভিনয় করে আলাদা নজর কেড়েছেন তিনি। এছাড়াও দুরেফিশানের ধারাবাহিক বিলিয়ন ভিউ রেকর্ড গড়েছে ।
গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর জিও টিভিতে প্রথম প্রচারিত হয় ‘সানওয়াল ইয়ার পিয়া’। এরপর ইউটিউবেও আসে। টেলিভিশনের পাশাপাশি তখন ইউটিউবেও সাড়া ফেলে ধারাবাহিকটি।

দানিশ নাওয়াজ সিরিয়ালটি পরিচালনা করছেন । দুরেফিশান সেলিম ছাড়াও কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন ফিরোজ খান ও আহমেদ আলী আকবর।
দুরেফিশানের ধারাবাহিকের বিলিয়ন ভিউ
এদিকে ২০২৬ সালে প্রথম কোনো পাকিস্তানি ধারাবাহিক হিসেবে ইউটিউবে এক বিলিয়ন ভিউর রেকর্ড গড়েছে ধারাবাহিকটি। ‘হার পাল জিও’ নামের ইউটিউব চ্যানেলটিতে এখন পর্যন্ত ৩৩টি পর্ব প্রকাশিত এসেছে। সব পর্ব মিলিয়ে ধারাবাহিকটি ১ বিলিয়নেরও বেশিবার দেখেছেন দর্শকেরা।
দক্ষিণ এশিয়ার দর্শকদের কাছে অভিনেত্রী দুরেফিশান সেলিমের বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে। তার রূপ আর সৌন্দর্যই এর বড় কারণ।
ধারাবাহিক ‘সানওয়াল ইয়ার পিয়া’ একটি ত্রিভুজ প্রেমের গল্প। এটি লিখেছেন হাশিম নাদিম খান। সিরিয়ালের গল্পটা অনেকটা সিনেম্যাটিক। তিন তরুণ-তরুণীকে ঘিরে গল্পটি আবর্তিত হয়েছে।
ধারাবাহিকটিতে পিয়ার চরিত্র কিছুটা রহস্যে ভরা। গল্পে আলিয়ার ও সানওয়াল দুজনই পিয়ার প্রেমে পড়েন, তবে শেষ পর্যন্ত ঘটনা ভিন্ন দিকে মোড় নেয়। সিরিয়ালটিতে রয়েছে ব্যাপক খুনোখুনি, রক্তারক্তি আর গোলাগুলির দৃশ্য।

পাকিস্তানের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতেও সিরিয়ালটি আলোচিত হয়েছে। ‘পাকিস্তানি ড্রামা রিভিউস বিডি গ্রুপ’-এ সিরিয়ালটি নিয়ে আলোচনা করছেন ঢাকার দর্শকেরা।
এক দর্শক লিখেছেন, ‘যাঁরা রুচিসম্মত ড্রামা দেখতে চান, তাঁদের জন্যই এই ড্রামা ফাস্ট চয়েস হতে পারে। ’
মোবারক নামের এক দর্শক লিখেছেন, ‘সানওয়াল, আলিয়ার আর পিয়া, এই তিনজন যেন শুধু অভিনয় করেননি, তাঁরা যেন অনুভূতিগুলোকে পর্দায় জীবন্ত করে তুলেছেন। পিয়ার সরলতা, সানওয়ালের চোখে জমে থাকা ভালোবাসা আর আলিয়ারের দ্বন্দ্বে ভরা মন, সব মিলিয়ে প্রতিটা দৃশ্য মনে দাগ কেটে যায়।’
