ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
আগামী ১০ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে ২৪তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব । তথ্যটি নিশিচত করেছে আয়োজক সংস্থা। এবারের উৎসবের স্লোগান “নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ”।
সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়েছে এবারের উৎসবের পূর্ণাঙ্গ সময় ও সূচি । উদ্বোধনী চলচ্চিত্র হিসেবে প্রদর্শিত হবে চীনের সিনেমা ‘দ্য জার্নি টু নো এন্ড’।

রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের উদ্যোগে আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক উৎসবে ৯১টি দেশের ২৪৬টি চলচ্চিত্র ১০টি বিভাগে প্রদর্শিত হবে।
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ১০ বিভাগ
১০টি বিভাগ হল এশিয়ান সিনেমা সেকশন, রেট্রোস্পেকটিভ, ট্রিবিউট, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, বাংলাদেশ প্যানোরামা সেকশন, সিনেমা অফ দ্য ওয়ার্ল্ড সেকশন, চিলড্রেন ফিল্মস সেকশন, উইমেন ফিল্মমেকার্স সেকশন, শর্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট ফিল্মস সেকশন, স্পিরিচুয়াল ফিল্মস সেকশন।
উৎসবের মূল ভেন্যু হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে জাতীয় জাদুঘর, শিল্পকলা একাডেমি, আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ও স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অডিটরিয়াম।
আগামী ১০ জানুয়ারি বিকেল ৪টায় জাতীয় জাদুঘরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর প্রদর্শিত হবে চীনের ‘দ্য জার্নি টু নো এন্ড’। একই দিন সন্ধ্যা ৭টায় দেখানো হবে ইরানের চলচ্চিত্র ‘উইদাউট মি’।
এবারের উৎসবে বাংলাদেশ প্যানোরামা বিভাগে জায়গা করে নিয়েছে ৯টি দেশীয় সিনেমা। সেগুলো হলো—‘নয়া মানুষ’, ‘উড়াল’, ‘ধামের গান’, ‘নয়া নোট’, ‘আগন্তুক’, ‘এখানে রাজনৈতিক আলাপ জরুরি’, ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’, ‘দ্য স্টোরি অব আ রক’ এবং ‘উৎসব’।
নয় দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের পর্দা নামবে ১৮ জানুয়ারি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। এবারের উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ‘চায়নিজ ফিল্ম উইক’ আয়োজন করা হচ্ছে, যেখানে উদ্যাপন করা হবে চীনা চলচ্চিত্রের ১২০ বছর পূর্তি।
উৎসবের সময় ‘ওমেন ইন সিনেমা’ এর বার্ষিক আন্তর্জাতিক সম্মেলন ১১ ও ১২ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এখানে নারী নির্মাতা, অভিনেত্রী ও গবেষকরা চলচ্চিত্রজাত সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইস্যুতে আলোচনা করবেন।
এছাড়া উৎসবে ওয়েস্ট মিটস ইস্ট স্ক্রিনপ্লে ল্যাব ১১ থেকে ১৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে। এই প্রোগ্রামে এশিয়ার উদীয়মান চলচ্চিত্র নির্মাতারা আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের কাছে তাদের স্ক্রিণপ্লে নিয়ে পরামর্শ ও মেন্টরশিপ পাবে।
১৯৯২ সালে প্রথমবার এই উৎসবটি আয়োজন করা হয়েছিল। যার মূল উদ্দেশ্য হলো বাংলাদেশে সুস্থ চলচ্চিত্র সংস্কৃতি প্রচার করা এবং বিশ্বের সিনেমাটিক প্রবণতাকে সাধারণ দর্শকদের সামনে তুলে ধরা।