Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
Chitralee will take you closer to the world of entertainment.
মঙ্গলবার, জানুয়ারি ৬, ২০২৬

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-১ বিলিয়ন ডলার আয় করলো

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’
‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’

বিশ্ব চলচ্চিত্রের বক্স অফিসে আবারও নিজের আধিপত্য প্রমাণ করল জেমস ক্যামেরনের অ্যাভাটার ফ্র্যাঞ্চাইজি। মুক্তির মাত্র ১৮ দিনের মধ্যেই বিশ্বব্যাপী ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’- ১ বিলিয়ন ডলার আয় করলো। এটি অ্যাভাটার ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি। এই অর্জনের মাধ্যমে ছবিটি চলতি বছরের সবচেয়ে দ্রুত আয় করা ব্লকবাস্টারগুলোর একটি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে।    

বক্স অফিস সূত্র অনুযায়ী, উত্তর আমেরিকার বাজারে সিনেমাটির আয় দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩০৬ মিলিয়ন ডলার। একই সময়ে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে প্রায় ৭৭৭ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে সিনেমাটির মোট আয় বর্তমানে প্রায় ১.০৮ বিলিয়ন ডলার, যা এখনও বাড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’
নির্মাতা জেমস ক্যামেরন | ছবি: ইন্টারনেট

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ এর তুলনামূলক আয়

এই সাফল্যের মধ্য দিয়ে পরিচালক জেমস ক্যামেরন আবারও ভাঙলেন নিজেরই রেকর্ড। তার অ্যাভাটার ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমা  অ্যাভাটার (২০০৯) ১ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে মাত্র ১৯ দিনে। “অ্যাভাটার: দ্য ওয়ে অব ওয়াটার– ১ বিলিয়ন ডলার আয় করেছে মাত্র ১৪ দিনে। এরপর তৃতীয় কিস্তি ‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’মাত্র  ১৮ দিনেই ১ বিলিয়ন ডলারের ক্লাবে প্রবেশ করল। হলিউড ইতিহাসে এমন কৃতিত্ব খুব কম নির্মাতারই রয়েছে।

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’-
সিনেমার একটি দৃশ্য থেকে নেয়া

‘অ্যাভাটার: ফায়ার অ্যান্ড অ্যাশ’ সিনেমায় দর্শক আবার ফিরে যায় প্যান্ডোরার বিস্তৃত ও রহস্যময় জগতে। জেক সাল্লি ও নেইতিরির জীবনে যুক্ত হয় নতুন শত্রু, পরিবেশগত সংকট এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব। আগের কিস্তিগুলোর মতোই এই সিনেমাতেও অত্যাধুনিক ভিজ্যুয়াল ইফেক্ট, থ্রিডি এবং আইম্যাক্স প্রদর্শনী দর্শকদের বড় পর্দায় টেনে আনতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।  

বিশ্লেষকদের মতে, এই সাফল্য প্রমাণ করে যে স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মের বিস্তারের মাঝেও বড় বাজেটের, ভিজ্যুয়াল-নির্ভর সিনেমা এখনো প্রেক্ষাগৃহে দর্শক আকর্ষণে সক্ষম। ডিজনির জন্যও এটি একটি বড় বাণিজ্যিক অর্জন, যা তাদের বৈশ্বিক বক্স অফিস শক্তি আরও সুদৃঢ় করেছে।  

বক্স অফিস যাত্রা এখনো শেষ হয়নি। ফলে শেষ পর্যন্ত এটি আরও কত দূর যেতে পারে, সে দিকেই এখন তাকিয়ে রয়েছে বিশ্ব চলচ্চিত্র শিল্প।

Website |  + posts
Share this article
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Read next

ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬-পুরস্কার জিতলো যারা

ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ গত ৪ জানুয়ারী, অনুষ্ঠিত হয়েছে ৩১তম ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬ আসর।…
ক্রিটিকস চয়েস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬

সঞ্জয় দত্ত পাপারাজ্জিদের জোর করে যা খাওয়াতেন

সঞ্জয় দত্ত ও পাপারাজ্জি বলিউডের তারকাদের নব্বইয়ের দশক থেকেই একেবারে কাছ থেকে দেখে আসছেন বলিউড ইন্ডাস্ট্রির…
সঞ্জয় দত্ত পাপারাজ্জিদের জোর করে
0
Share