নির্মাতা ও প্রযোজক হিসেবে মৌসুমিকে কতটুকু চেনেন?
চিত্রনায়িকা মৌসুমীর আসল নাম আরিফা পারভিন জাহান মৌসুমী। ১৯৯৩ সালে ব্লকবাস্টার ‘কেয়ামত থেকে কেয়ামত’ ছবির মাধ্যমে বাংলা চলচ্চিত্রে প্রবেশ করেন মৌসুমী। ওই ছবিতে তার বিপরীতে ছিলেন বাংলা সিনেমার অমর নায়ক সালমান শাহ। এরপর থেকেই মৌসুমীর উন্নতির শুরু। নায়িকা হলেও বেশ দূরদর্শীও ছিলেন এই নায়িকা। অভিনয়ে আসার তিন বছরের মাথায় প্রযোজক বনে যান তিনি। নির্মাতা ও প্রযোজক হিসেবে মৌসুমিকে কতটুকু চেনেন? জানুন তার নির্মাণজীবনের শুরু, প্রযোজনার সাফল্য, চ্যালেঞ্জ ও অর্জনের গল্প , একজন বহুমুখী শিল্পীর ভিন্ন পরিচয়ের যাত্রা।


১৯৯৬ সালে মৌসুমী প্রতিষ্ঠা করেন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ‘কপোতাক্ষ চলচ্চিত্র’। সেখান থেকেই মুক্তি পায় তার প্রযোজিত প্রথম ছবি ‘গরীবের রানী’। পরিচালনা করেন মনোয়ার খোকন। এরপর মুশফিকুর রহমান গুলজারের পরিচালনায় মুক্রি পায় সিনেমা ‘সুখের ঘরে দুখের আগুন’ এবং মনতাজুর রহমান আকবরের পরিচালনায় সিনেমা ‘বউয়ের সম্মান’।

এরপর দীর্ঘ ১৯ বছরের বিরতির পর ‘আমি এতিম হতে চাই’ ছবির মাধ্যমে আবারও প্রযোজনায় ফিরে আসেন নায়িকা। মৌসুমীর সঙ্গে ছবিটি যৌথভাবে প্রযোজনা করেছেন ঋদ্দি টকিজ।
পরিচালক হিসেবেও পদচারণা করেন মৌসুমী। ২০০৩ সালে সিনেমা ‘কখনো মেঘ কখনো বৃষ্টি’ দিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালনায় নাম লেখান মৌসুমী। পরবর্তীতে ২০০৫ সালে তিনি পরিচালনা করেন আলোচিত ছবি ‘মেহের নিগার’। যেটির কেন্দ্রীয় চরিত্রেও অভিনয় করেন মৌসুমী। ২০১৬ সালে তিনি ‘শূন্য হৃদয়’ নামে একটি টেলিফিল্মও পরিচালনা করছেন।

মৌসুমী তার অভিনয় জীবনে তিনবার ‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার’, তিনবার ‘মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার এবং তিনবার ‘বাচসাস পুরস্কার’ জিতেন। বর্তমানে সবরকম কাজ থেকে দূরে আছেন এই অভিনেত্রী ।